ঢাবি ভর্তিতে ইংরেজি মাধ্যমকে বাড়তি সুবিধার উদ্যোগ চূড়ান্ত হচ্ছে আজ, বৈষম্যের মুখে বাকিরা

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ PM , আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪০ PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ভর্তি পরীক্ষায় বাড়তি সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে দেওয়া পরীক্ষায় তারা কম সুযোগ পাচ্ছেন ও আগ্রহ হারাচ্ছেন, এমন যুক্তিতে তাদের সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। বিদেশে মেধাপাচার কমানোর কথাও বলা হচ্ছে। এসব বিবেচনায় নেওয়া সিদ্ধান্ত আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত হতে পারে। বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এমন সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে বৈষম্য বাড়বে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে বলেছেন, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা নিলে তাদের ভর্তি সুযোগ বাড়বে, যা এক ধরনের ‘কোটা’র মতো। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কিছুটা হলেও ভর্তিযোগ্য আসন কমার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। ফলে তারা ভর্তিতে বৈষম্যের শিকার হবেন বলে মনে করছেন তারা।

গত ২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এটি সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। 

জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর পক্ষে প্রশাসন দুই ধরনের যুক্তি দিচ্ছে। তাদের মতে, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের বড় অংশ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে, ফলে দেশে ‘ব্রেইন ড্রেন’ বা মেধাপাচার হচ্ছে। তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে আকৃষ্ট করতে ভর্তি পরীক্ষায় বাড়তি সুযোগ তৈরি করা হলে দেশেই শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হবে।

গত ২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এটি সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। 

আরেকটি মত হলো, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরেই ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র করা হয়, এমন রীতি চালু আছে। এখন থেকে বিজ্ঞান ইউনিটেও একই ধরনের ব্যবস্থা অনুসরণ করার পক্ষে তারা। যদিও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় কয়েকজন সদস্য এর পরিকল্পনার বিরোধীতা করেছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে একই ধরনের মতামত জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, ইংলিশ মিডিয়ামেরও তো আবার অনেক ক্যাটাগরি আছে। তাহলে এখন কি আলাদা আলাদা করে পরীক্ষা নেবে। সেটি করলে প্রশ্ন আসবে, যারা মাদ্রাসা বা কারিগরি থেকে পাস করছে, তাদের জন্য কি আলাদা পরীক্ষা হবে। তারা আলাদা করে পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে নন। পরীক্ষার প্রশ্ন হতে হবে একটা।

এ ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জানিয়ে তারা বলছেন, আগে বোর্ডভিত্তিক প্রশ্ন করা হতো। এতে অনেক বোর্ডে একই বিষয়ের প্রশ্ন সহজ বা কঠিন হেতো। এজন্য বলা হয়েছে, অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে। যেন সমতা থাকে, কেউ দাবি না করতে পারে যে, ভালো হয়েছে বা খারাপ হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের কয়েকজন সদস্যও বলছেন, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য যে সুবিধা রয়েছে, তা বাংলা মাধ্যম, মাদ্রাসা বা কারিগরিসহ অন্যান্য মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্য তৈরি করছে। বিজ্ঞান ইউনিটেও একই সুবিধা দেওয়া হলেও বৈষম্য আরও বাড়বে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, এভাবে প্রশ্ন করার উদ্যোগ যৌক্তিক নয়, এটি এক ধরনের ‘কোটা’। আর যে ধাচের প্রশ্নে এখন ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাও সময়োপযোগী নয়। এতে শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন হয় কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। প্রশ্নপত্র যাতে একই ধাচের হয় এবং সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়, সে দিকে নজর রাখা জরুরি। আলাদা প্রশ্নপত্র তৈরি করলে অসম প্রতিযোগিতার পথ তৈরি হবে বলে মত তার। 

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা: সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ, চূড়ান্ত হবে আগামী সপ্তাহে |  The Daily Campus

বর্তমানে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বহুনির্বাচনি (MCQ) অংশে বাংলা (আবশ্যিক), ইংরেজি (আবশ্যিক), হিসাববিজ্ঞান (আবশ্যিক), ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (আবশ্যিক) এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন অথবা ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমায় ১২ নম্বর করে ৬০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

আর লিখিত অংশে বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ও ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ, ভুল সংশোধনী (বাংলা), ভুল সংশোধনীতে (ইংরেজি) ৪ করে এবং বাণিজ্য বিষয়ে হিসাববিজ্ঞান (আবশ্যিক), ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (আবশ্যিক) এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন অথবা ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ৮ নম্বর করে ৪০-সহ মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। 

একই ইউনিটে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার জন্য বহুনির্বাচনি (MCQ) অংশে বাংলা (আবশ্যিক), ইংরেজি (আবশ্যিক) ও আইসিটি (আবশ্যিক) ১২ করে এবং গণিত/পরিসংখ্যান/অর্থনীতি (যে কোনো ১টি) ২৪ নম্বরসহ ৬০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। আর লিখিত অংশে বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ, ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ, ভুল সংশোধনী (বাংলা) ও ভুল সংশোধনী (ইংরেজি) ৫ করে এবং আইসিটি (আবশ্যিক) ও গণিত/পরিসংখ্যান/অর্থনীতি (যে কোনো ১টি) ১০ করে ৪০-সহ মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

একই ইউনিটে এ-লেভেল ও সমাবের পরীক্ষার এমসিকিউ অংশে English (Compulsory) ১৬, Advanced English (Compulsory) ১২, Business Subjects (Any Two)- Business Studies, Accounting, Economics বা Mathematics-এ ১৬ নম্বর করে মোট ৬০ নম্বর থাকে। আর লিখিত অংশে Essay writing, Error Correction, Business Subjects (Any Two)-Business Studies, Accounting, Economics ও Mathematics- এ ১০ করে ৪০-সহ মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

‘আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নটাও বদলাতে হবে। প্রশ্নটা করতে হবে এমন, যাতে সবার সমান সুযোগ থাকে। আমাদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা কিংবা যেগুলো সরকার অনুমোদিত, আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। কারও প্রতি বৈষম্য না হোক। আলাদা প্রশ্ন করার মাধ্যমে এটা হবে না, বরং বৈষম্য বাড়বে। আর আলাদা প্রশ্ন করা মানে এক ধরনের অস্থিতিশীলতার দিকে যাওয়ার একটা আশঙ্কা থেকে যায়’ -অধ্যাপক মজিবুর রহমান, আইইআর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিজ্ঞান ইউনিটেও একইভাবে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় একই ধরনের প্রশ্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিষয়সংখ্যার পার্থক্যকে বৈষম্যমূলক বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে। নানান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই বিজ্ঞান ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্রের প্রস্তাব সিন্ডিকেটের সভায় অনুমোদনের জন্য উঠতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সুবিধা পাবে কিংবা বাংলা মাধ্যম কম পাবে, বিষয় সেটা না। অ্যাকাডেমিক্যালি নিয়ম হচ্ছে, যে কোনও অ্যাডমিশন টেস্টে, যেমন জিআরই, কোনো দেশের কোন কোর্স আউটলাইন কোনো কারিকুলাম দেখে তো করা হয় না। প্রশ্ন করে কমপিটেন্সি ধরে।

আরও খবর: কারিগরি শিক্ষকদের বেতন ছাড়তে দেরি, যে ব্যাখ্যা দিল অধিদপ্তর

‘অর্থাৎ আমাদের দুইটা জিনিস বিবেচনায় রাখা দরকার। আমরা টেস্ট নিতে চাই সেটার জন্য হল যে, ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়াশোনা করার পরে কি কি শেখার কথা ছিল এবং কতটুকু পেরেছে। একটা অ্যাসেসমেন্ট হয়ে যায় বোর্ড এক্সামে। সেই রেজাল্ট আমরা কেন নিচ্ছি না। তার মানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ট্রাস্ট করছে না। আরেকটি হলো, ইউনিভার্সিটিগুলোর প্রয়োজন কেমন’, যোগ করেন তিনি।

অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, ‘মেধা পাচার বা তারা দেশে থাকছে না, এগুলো কোনো যুক্তি না। ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা বাংলা যদি না পড়ে থাকে, তাহলে অ্যাডভান্স ইংলিশ থাকতে পারে। তারা কি অন্যরকম গণিত, বিজ্ঞান বা ইংরেজি, অন্যরকম সাধারণ জ্ঞান শেখে?’

ঢাবিতে আলাদা প্রশ্ন করলে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে সামনে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী খারাপ করলে অভিযোগ আসবে, আলাদা প্রশ্ন করাতে খারাপ করছে। বাংলা মিডিয়ামের জন্য প্রশ্ন সহজ হয়েছে। কিংবা উল্টোটা হবে ইংলিশ মিডিয়ামের প্রশ্ন সহজ হয়েছে, এ কারণে তারা বেশি চান্স পেয়েছে।’

‘বিষয়টি নিয়ে অন্তত সাত-আটটি মিটিং হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে’ -অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভিসি (শিক্ষা), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

তিনি আরও বলেন, ‘এখনকার জেনারেশনের দুইটা জায়গা খুব সিগনিফিকেন্ট। একটা হলো হায়ার এডুকেশনের এক্সেস, আর দুই নম্বরে হলো জবে এক্সেস। আমরা দেখলাম যে, জব এক্সেস নিয়ে সরকার পতন হয়ে গেল। এমন সেনসিটিভ বিষয়ে এরকম সিদ্ধান্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন না। সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ওপেন পরীক্ষা নেবে। কারা আসবে, কে দেশে থাকলো কে চলে গেল, এগুলো দেখার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের না।’

অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নটাও বদলাতে হবে। প্রশ্নটা করতে হবে এমন, যাতে সবার সমান সুযোগ থাকে। আমাদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা কিংবা যেগুলো সরকার অনুমোদিত, আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। কারও প্রতি বৈষম্য না হোক। আলাদা প্রশ্ন করার মাধ্যমে এটা হবে না, বরং বৈষম্য বাড়বে। আর আলাদা প্রশ্ন করা মানে এক ধরনের অস্থিতিশীলতার দিকে যাওয়ার একটা আশঙ্কা থেকে যায়।’

এমন সিদ্ধান্তে বৈষম্য তৈরি হবে কিনা জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অন্তত সাত-আটটি মিটিং হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’

কোটায় আবেদন নিয়ে একাদশের ভর্তিচ্ছুদের সতর্ক করল আন্তঃশিক্ষা…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
বদলে গেল এফসিপিএস মিড-টার্ম পরীক্ষার কাঠামো
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্ত্রিপরিষদের সভা বিকেল সাড়ে ৪টায়, আলোচনায় পে স্কেল
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
অল্পতেই রেগে যান? নিয়ন্ত্রণে আনুন এভাবে
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
যোগদান করেও বেতন পেতে অপেক্ষা, কারিগরির এমপিও শিক্ষকদের পার…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
যেকারণে এসএসসি পরীক্ষা মার্চে, ব্যাখ্যা দিলেন মন্ত্রী
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬