প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইবি প্রক্টর 

২২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৯ PM
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

গত ১৬ আগস্ট দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ‘বাগবিতণ্ডার ভিডিও করায় প্রক্টরের গুণ্ডামি! ফোন কেড়ে নিয়ে সাংবাদিককে আটকে রাখলেন রুমে’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান। গত ১৯ আগস্ট সম্পাদক বরাবর প্রেরণ করা প্রতিবাদলিপিতে তিনি প্রতিবেদনে তথ্যগত ভুল, অসম্পূর্ণ, অনুমাননির্ভর, অপ্রাসঙ্গিক ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ; সংশোধনী প্রকাশ ও ব্যক্তিগত ছবি অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, প্রতিবেদনে প্রতিবেদক আমার বিষয়ে একাধিক অসত্য, অসম্পূর্ণ, বিভ্রান্তিকর, অনুমাননির্ভর ও গুরুতর মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে ‘বাগবিতণ্ডার ভিডিও করায় প্রক্টরের গুণ্ডামি, সন্ত্রাসী কায়দায় সাংবাদিককে হেনস্তা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার আদেশ, শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সাংবাদিককে হেনস্থা, ইইই বিভাগের সভাপতির অফিস কক্ষে আটকে রাখা, বিভাগীয় সভাপতি ফোন জমা রাখার অস্বীকৃতিতে বাধ্য হয়ে ফোনটি নিজ জিম্মায় নেওয়া, বিনা অনুমতিতে বিভাগে প্রবেশ ও ভিডিও ধারণের বিষয়ে জেরা করা’ ইত্যাদি অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ধরনের তথ্য বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর।

প্রক্টরের বক্তব্য
১. বাকবিতণ্ডার ভিডিও করায় প্রক্টরের গুণ্ডামির কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই। কারণ এমন কোনো আচরণ আমি করিনি বরং এর মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ব্যক্তিগত মানহানি করা হয়েছে।

২. সন্ত্রাসী কায়দায় সাংবাদিককে হেনস্তা ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার নির্দেশনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বরং যখন বিভাগের শিক্ষক উত্তেজিতভাবে কথা বলছিলেন তখন তার কক্ষের সামনে বিভাগের শিক্ষার্থীরাও চলে আসে। বিনা অনুমোতিতে এ সময় আবরার ভিডিও করছিল। তখন ছাত্ররা ওকে ঘিরে ধরে যে, অনুমতি ছাড়া ও কেন ভিডিও করা শুরু করছে। 

তখন ছাত্ররা বলছে যে, ও কে? ভিডিও করছে কেন? এসময় ছাত্ররা উত্তেজিত হয়ে যায়। একপর্যায়ে ছাত্ররা ওকে বলে যে আপনি ভিডিওটা বন্ধ করেন, এটা আমাদের বিভাগের স্যারদের বিষয়, শিক্ষকরা কথা বলতেছে। তখন আবরার ওদের সাথে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছিল। 

সে সময় আমাদের সিকিউরিটি অফিসার (নিরাপত্তা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান) ওর ফোনটি হেফাজতে নেন। তারপরে নিরাপত্তার স্বার্থে আবরারকে ওখান থেকে বিভাগের সভাপতিসহ আমরা বিভাগের সভাপতির কক্ষে নিয়ে যাই। এই পুরো ঘটনায় আমি কোনো শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে আবরারকে হেনস্তার করিনি। তেড়ে আসার প্রশ্নই আসে না।

৩. বিভাগের সভাপতির অফিস কক্ষে আবরারকে আটকে রাখার বিষয়টি বিভ্রান্তিকর। আটকে রাখার প্রশ্নই ওঠে না। কোনো কক্ষে আটক রাখার প্রধান শর্ত ওই কক্ষে কাউকে প্রবেশ করতে না দেওয়া বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বের হতে না দেওয়া। অথচ সে সময় বিভাগীয় সভাপতির রুমে সভাপতি, একাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও নিরাপত্তাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। যে কেউ যেকোনো সময় প্রবেশ করেছে ও বের হচ্ছিল। সাংবাদিক আবরারও নিজের মতো করে একসময় বের হয়ে যায়। কেউ কোনো বাঁধা প্রদান করেনি।

৪. বিভাগীয় সভাপতি ফোন জমা রাখার অস্বীকৃতিতে বাধ্য হয়ে ফোনটি আমার জিম্মায় নেওয়ার বিষয়টি বিভ্রান্তিকর। কেননা উপস্থিত সকলের অবগতি ও বিভাগের সভাপতির সম্মতিতেই ফোনটি নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে প্রক্টর অফিস থেকে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে মোবাইলটি সুরক্ষিত অবস্থায় দিয়ে দেওয়া হয় এবং সুরক্ষিত অবস্থায় মোবাইলটি পেয়েছেন বলে তিনি লিখিত দেন।

৫. বিনা অনুমতিতে বিভাগে প্রবেশ ও ভিডিও ধারণের বিষয়ে জেরা করা অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর। বরং ব্যক্তিগত কক্ষে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করা ঠিক কিনা, তা জানতে চাইলে আবরার সভাপতির কক্ষে সকলের উপস্থিতিতে স্বীকার করে তার এমন কাজটি ঠিক হয়নি। এর জন্য সে দুঃখ প্রকাশ করে, যা স্বাভাবিক আলোচনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

৬. প্রতিবেদনটির অপ্রমাণিত অভিযোগের সঙ্গে আমার ছবি প্রকাশে সম্মানহানি হয়েছে। সংবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ছবি ব্যবহার সব ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ- এমনটি বলতে চাচ্ছি না। তবে অপ্রমাণিত অভিযোগের সঙ্গে একজন শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যক্তি হিসেবে আমার ছবি যুক্ত করা আমার বিরুদ্ধে জনমনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করে। যা আমাকে সামাজিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে ফেলে। 

আমি কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি নই। অন্যায়-অনিয়মের জন্য কর্তৃপক্ষ আমাকে দায়ী করেনি। তাই অপ্রমাণিত অভিযোগের সঙ্গে আমার ছবি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। প্রতিবাদলিপিতে তিনি প্রমাণহীন, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য প্রত্যাহার, প্রতিবাদলিপিটি মূল প্রতিবেদনের সমপর্যায়ের গুরুত্ব ও দৃশ্যমানতায় প্রকাশ করা, সংশোধনী সংযুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। 

পাশাপাশি প্রতিবাদলিপি প্রাপ্তির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গৃহীত সম্পাদকীয় পদক্ষেপ লিখিতভাবে অবহিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম, শৃঙ্খলা ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকাশিত সংবাদে কোনপ্রকার তথ্যগত ভুল, অসম্পূর্ণ, অনুমাননির্ভর, অপ্রাসঙ্গিক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ইবি প্রতিনিধির বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর প্রদানকৃত লিখিত অভিযোগ, তার বক্তব্য এবং অভিযুক্ত প্রক্টরের বক্তব্য নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন বক্তব্য নেই।

প্রতিবাদলিপিতে ইবি প্রক্টর ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের কক্ষের ঘটনাকে মারমুখী প্রতিবাদ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে কোন মারমুখী প্রতিবাদ নয় বরং কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ইবি প্রতিনিধি আবরার এর ভাষ্যমতে, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথেই পুরো কক্ষ তছনছ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি অংশের সাথে একজন শিক্ষকের অসৌজন্যমূলক বাগবিতণ্ডা দেখতে পান এবং সংবাদ সংগ্রহের তাগিদে তাৎক্ষণিক ফুটেজ ধারণ শুরু করেন। 

তার দাবি, তিনি ২ থেকে আড়াই মিনিট পর্যন্ত ভিডিও ধারণের পরেই উক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রথমত, উল্লেখিত ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের স্বার্থে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা একজন সাংবাদিকের প্রাথমিক দায়িত্ব। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় ছবি বা ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে অনুমতি গ্রহণ নিষ্প্রয়োজন। একজন সাংবাদিক কোন ঘটনার ভিডিও ধারণ করবে, কোনটা করবে না - তা নির্ধারণ কিংবা জবাব চাওয়ার কিংবা ভিডিও বন্ধ করতে বলার কোন এখতিয়ার শিক্ষার্থীরা রাখে না। 

এছাড়া বিভাগের শিক্ষার্থীরা যদি অনুমতিহীন ভিডিও ধারণের ব্যাপারে ক্ষিপ্ত হতেনই, তাহলে আবরার মোবাইল ফোন বের করে ভিডিও ধারণ শুরুর সাথে সাথেই তারা প্রতিবাদ জানাতেন; দুই থেকে আড়াই মিনিট অপেক্ষা করতেন না। তার লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা তখনি এগিয়ে এসেছে যখন প্রক্টর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ‘ওরে ধর’ বলে নির্দেশনা দিয়েছেন। 

দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেল এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান স্বয়ং প্রক্টরের আওতাধীন। তার নির্দেশ ব্যতীত কোনোভাবেই একজন কর্মকর্তার পক্ষে একজন সাংবাদিকের ফোন নিজ হেফাজতে নেওয়া সম্ভব না। যদি প্রক্টর এ নির্দেশনা না দেন, তাহলে নিরাপত্তা কর্মকর্তা কার নির্দেশে একজন সাংবাদিকের ফোন নিজ হেফাজতে নেওয়ার ধৃষ্টতা দেখালেন, সে ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকেই তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। 

তৃতীয়ত, ভুক্তভোগী সাংবাদিকের মতে তিনি কারো কাছে নিরাপত্তা চাননি, তাঁর ফোন কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক তাকে সভাপতির অফিস কক্ষে আটকে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বিভিন্ন স্থানে বলেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে সেখানে রাখা হয়েছে। 

যে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাত থেকে সাংবাদিককে রক্ষার জন্য বিভাগীয় সভাপতির কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেই কক্ষেও সাংবাদিককে রাখা হয়েছিল সেই শিক্ষার্থীদেরই পাহারায়। এটি বিভাগের শিক্ষার্থী, ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. নজিবুল হক, নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. রয়েল এবং অন্যান্য সাংবাদিকদের বক্তব্য পেলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাত থেকে নিরাপত্তা দিতে নিয়ে যেয়ে আবার তাদেরই জিম্মায় ভুক্তভোগী সাংবাদিককে রাখা প্রশাসনের দ্বিমুখী বক্তব্যের প্রমাণ। 

চতুর্থত, ভুক্তভোগী সাংবাদিককে যখন বিভাগীয় সভাপতির কক্ষে আটকে রাখা হয়, তখন সেখানে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। তাকে নিয়ে যাওয়ার ৮-১০ মিনিট পরে একে একে সবাই উপস্থিত হয়। বিষয়টি বিভাগীয় সভাপতির কক্ষে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে। 

পঞ্চমত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রথমে ফোনটি বিভাগীয় সভাপতির নিকট ই জব্দ রাখার আহবান জানিয়েছিলেন। এ সময় সাংবাদিক আবরার কোন আইনে তার ফোন জব্দ করা হচ্ছে- প্রশ্ন করলে তবেই তিনি ফোনটি জমা নেননি, বাধ্য হয়ে ইবি প্রক্টর নিজেই ফোনটি নিয়ে যান। এটিও সভাপতির কক্ষে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে। সংবাদে কোন বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়নি।

আরও পড়ুন: মহাসড়কের চলন্ত কফিন ‘স্লিপার বাস’, ৮২৯ গাড়ির অনুমোদন নেই একটিরও

ষষ্ঠত, সাংবাদিক প্রতিনিধির ভাষ্যমতে - একাধিকবার বিভাগে প্রবেশ এবং ভিডিও ধারণের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করলেও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ তার ব্যাখ্যা গ্রহণ না করায় বাধ্য হবে বিনা অনুমতিতে বিভাগে প্রবেশের ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং কথার পৃষ্ঠেই একই ঘটনায় তার ফোন জব্দ করার যৌক্তিকতার ব্যাখ্যা চান। এখানে তাকে জেরা করার বিষয়ে উপস্থিত সকলেই অবগত। 

এছাড়া দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ইবি প্রতিনিধি আবরার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বহিরাগত ব্যক্তি নন, তিনিও একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। ইইই বিভাগে প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্য কোন বিভাগের শিক্ষার্থী বা কোন সাংবাদিকের অনুমতি গ্রহণ কর‍তে হবে- এমন কোন নির্দেশনা কখনো দেওয়া ছিল না। এখানে অনুমতি গ্রহণের বিষয়টির অবতারণা করা নিতান্তই অমূলক।

প্রক্টরের দাবির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেছে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস। ইইই বিভাগে বা আওয়ামীপন্থী শিক্ষকের কক্ষে বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আমিও বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেছি। এহেন অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকদের অনুমতি নিতে হয় বলে আমার জানা নেই।’

তিনি বলেন, ‘যারা আমার রুমে এসে ওই ঘটনা ঘটিয়েছে তারাও অনুমতি নিয়ে আসেনি। আপনাদের প্রতিবেদক ছাড়াও আরও অনেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রশাসনের লোকজন আমার কক্ষে সেসময় ঢুকেছে, কাউকেই আমার থেকে অনুমতি নিতে হয়নি। কক্ষটি যখন মানুষে ভর্তি, ঠিক সে সময় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অপ্রত্যাশিত নজিরবিহীন ঘটনার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে কেন বিভাগের বা আমার অনুমতি নিতে হবে, বিষয়টা আমার বোধগম্য না।’

একই অভিযোগের ব্যাপারে এবং সার্বিক বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় ইইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীনের কাছে। তাকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও শুরুতে তিনি সাড়া দেননি। পরবর্তীতে ইবি প্রতিনিধিকে হোয়াইট অ্যাপে কল দিয়ে বিষয়টি শুনে কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অস্বীকৃতির বিষয়টিও অন-রেকর্ড বলতে অনুরোধ করা হলে তিনি তাতেও রাজি হননি।

ডাকসুর অনার বোর্ড থেকে বাদ গোলাম রাব্বানী, নেই রাশেদও
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরেকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, আবেদ…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাবিতে ছাত্রদল নেতা শাওনের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভার্চুয়াল ইন্ডাস্ট্রি: এআই কনটেন্টে দেশের চমক
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে ৪ ক্যাটাগরিতে চাকরি, আবেদন ২৪ স…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৫-তে সময় লেগেছিল সাড়ে ৩ মাস, এবার কতদিন, বেতন কার কত বাড়…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9