ঢাবি উপাচার্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম © সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৭২ ঘন্টার বেশি কোনো ফাইল কোনো দপ্তরে পড়ে থাকলে ঐ কর্মকর্তাকে ফাইল পরে থাকার কারণ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় নিজ অফিসে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস প্রতিনিধিকে এসব কথা জানান উপাচার্য।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দপ্তরে পাঠানো হয়।
উক্ত আদেশে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ০৩ (তিন) কার্যদিবসের (৭২ ঘন্টা) মধ্যে যে কোন নোট/নথি (ছুটি এবং অন্যান্য বিষয় সংশ্লিষ্ট) তাঁর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ (৩য় ও ৪র্থ) নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত নিশ্চিত করার বিষয়ে অফিস প্রধানগণ তাঁর অধিনস্থদেরকে অবহিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ (৩য় ও ৪র্থ) কে ছুটি ভোগের পূর্বে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
এ বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “আমাদের অফিস গুলোতে মাসের পর মাস ফাইল পরে থাকে, আর ফাইল পরে থাকার অভ্যাসটা খুব বাজে তাই কাজের গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য কোনো ফাইল ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টার বেশি ফেলে রাখা যাবে না। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি ৩ দিনের বেশি ফাইল আটকে রাখে, তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। কেন দেরি হলো সেটা জানাতে হবে।”
উপাচার্য আরও বলেন, “অফিস টাইম ৮ ঘণ্টা অনেক সময়। যদি আড্ডা না দিয়ে, চা না খেয়ে কাজ করা হয়, তাহলে অনেক কাজ করা সম্ভব। আমি চাই ফাইল যেন দ্রুত মুভ করে।”