একাডেমিক সার্কেল © সৌজন্যে প্রাপ্ত
বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্পে একাডেমিক সার্কেল বিল্ডিং এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাইনসহ আনুষঙ্গিক কাজের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। দীর্ঘদিন ঝুলে থেকে অবশেষে ১৫৮ কোটি ৮৭ লাখ ৩৭ হাজার ৫৭০ টাকার এই কাজ অনুমোদিত হয়েছে।
গত বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক কমডোর মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। প্রকল্পটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এবং শেলটেক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন হবে।
মেরিটাইম শিক্ষার হাব হিসেবে এই একাডেমিক সার্কেলটি নির্মিত হবে। যেখানে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত টিএসসি, লাইব্রেরি, অডিটোরিয়াম, মেরিটাইম মিউজিয়াম, অ্যাকুয়ারিয়াম, ক্লাবরুমসহ নানা ধরনের সুবিধা থাকবে।
চট্টগ্রামের চাঁন্দগাও থানাধীন হামিদচরে কর্ণফুলী নদীর তীরে ১০৬ দশমিক ৬৬ একর জমিতে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস। বাংলাদেশের একমাত্র এই পাবলিক মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রকল্প শেষ হয় ২০১৯ সালে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মাঝে বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন হয় । এরপর দফায় দফায় বালু ভরাটের পর ২০২৪ সালের ৪ মার্চ স্থায়ী ক্যাম্পাসের অবকাঠামো ও ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
আরডিপিপির তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের মেয়াদকাল ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। জুলাই-আগষ্ট অভ্যুত্থান, বন্যা পরিস্থিতি, বৈরী আবহাওয়া ও অন্যান্য কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে গেছে। নতুন করে সংশোধিত কাজ শেষ হওয়ার মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির এ স্থায়ী ক্যাম্পাসের মোট ১৯টি ভবনের মধ্যে ১৮টির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। অবশেষে গত বুধবার একাডেমিক সার্কেল বিল্ডিং এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাইনসহ আনুষঙ্গিক কাজের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।