প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি ছাড়া শূন্যপদের চাহিদা না নেয়ার কারণ জানাল অধিদপ্তর

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ PM , আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ PM
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর © সংগৃহীত ছবি

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিটিই) অধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি ছাড়া শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনাগ্রহের কারণে যেসব শিক্ষক বদলির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা রাখার সুযোগও ছিল না বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। 

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শূন্যপদের তথ্যের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সম্মতি রাখা হয়েছে মূলত বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সফটওয়্যারের তথ্যের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার জন্য। অন্যথায় সফটওয়্যারে শূন্য দেখানো কোনো পদে বদলি করে দেওয়ার পর সেটি বাস্তবে শূন্য না থাকার বিষয়টি সামনে এলে পুরো বদলি প্রক্রিয়াতেই নতুন জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি ছাড়া সরাসরি শূন্যপদের ভিত্তিতে বদলির সুযোগ না রেখে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

অধিদপ্তরের এমপিও শাখার এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনাগ্রহের কারণে যেসব শিক্ষক বদলি বঞ্চিত হয়েছেন তাদের আমরা বিশেষ সুবিধার আওতায় আনতে পারিনি। কারণ যদি প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি ছাড়া অধিদপ্তর সরাসরি শূন্য পদের ভিত্তিতে বদলির সুযোগ রাখত, তাহলেও সমস্যা তৈরি হতো।

আরও পড়ুন: ইএফটিতে বেতন পেতে যেসব তথ্যের ভুলে ভোগান্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সফটওয়্যারে ওই প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ দেখতে পেলেও দেখা যাবে, পদটি আসলে শূন্য নেই। কারণ প্রতিষ্ঠান প্রধান অন্য কাউকে নিয়োগ দিয়ে রেখেছেন। তখন এই পদে দুজন শিক্ষক হয়ে যাবে। তখন কাকে বাদ দেবে এটা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হতো।’

প্রায় ৫০০ শিক্ষক-কর্মচারী এখনো এমপিওর বাইরে
অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় ২ হাজার ২০০টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা আনুমানিক ২২ হাজার। এর মধ্যে বিভিন্ন কারণে প্রায় ৫০০ শিক্ষক-কর্মচারী এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্রের ত্রুটি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে পদের চাহিদার অসঙ্গতি এবং অন্যান্য এমপিও-সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। এদের কেউ কেউ এমপিও পাওয়ার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, এসব শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সফটওয়্যারে শূন্য হিসেবে দেখা গেলে সেটি বাস্তবে শূন্য কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমোদন ছাড়া শুধু সফটওয়্যারের তথ্যের ভিত্তিতে বদলি করলে নতুন শিক্ষক ও আগে থেকে নিয়োগ থাকা ব্যক্তির মধ্যে বিরোধ তৈরি হতে পারে।

এদিকে, কারিগরি শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে শূন্যপদের তথ্য নেওয়া শুরু হয়। প্রথমে ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। পরে ইমেইল ও সফটওয়্যার-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সময় বাড়িয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা পর্যন্ত করা হয়। পরবর্তীতে যেসব প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ভুল ছিল কিংবা সফটওয়্যার ব্যবহারে অন্য জটিলতা ছিল, তাদেরও সমস্যা সমাধানের সুযোগ দেওয়া হয়। গতকাল পর্যন্ত শূন্যপদের তথ্য নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজারের বেশি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১ হাজার ৪২১টি প্রতিষ্ঠান শূন্যপদের তথ্য দিয়েছে।

খোঁজ নেই মাভাবিপ্রবির নাহিদসহ স্ত্রী-সন্তানদের, নেই হতাহতদে…
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, এখনো শনাক্ত হয়নি ছাত্রদল…
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার সো…
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
অস্ত্র নিয়ে মাদকসেবীদের পাকড়াও করার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
আবেদ আলীর মতো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসে অভিযুক্ত সোহাগও চা…
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ভিড়ে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬