হাইকোর্ট এলাকায় পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান, বিক্ষোভ শুরু

১৮ মে ২০২৫, ১১:১৯ AM , আপডেট: ১৮ মে ২০২৫, ০৬:০৬ PM
হাইকোর্ট এলাকায় পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান

হাইকোর্ট এলাকায় পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান © টিডিসি ফটো

হাইকোর্টের সামনে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ রিট বাতিলের দাবিতে অবস্থান করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকাস্থ সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

বিষয়টি নিয়ে বিক্ষোভে অবস্থান নেওয়া এক শিক্ষার্থী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, তারা তাদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে এখানে এসেছেন। তারা অবরোধ কর্মসূচির দিকে যাবেন না। শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি জানাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, ঢাকা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা শুধু অবস্থান করছেন। ঢাকার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও আসছেন।

এরআগে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ দেশের কারিগরি শিক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষায় একটি অরাজনৈতিক ও অগ্রণী ছাত্র সংগঠন। সংগঠনটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কারিগরি ছাত্র সমাজকে অবহিত করতে আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

এক ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের পদোন্নতি মামলার রায় বাতিলের দাবিতে ১৮ মে সারাদেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে বিক্ষোভ কার হবে। কারণ সম্প্রতি হাইকোর্ট কর্তৃক ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত মামলার রায় স্থগিত করা হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ মে।

কারিগরি ছাত্র সমাজ পূর্বের রায়কে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আমরা কারিগরি ছাত্র সমাজ এই মামলার রায় সম্পূর্ণ বাতিল চাই। আমরা জানি, ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের মূল কাজ হলো ল্যাব পরিচালনায় সহায়তা এবং প্রাকটিক্যাল ক্লাসে যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তারা এসএসসি অথবা এইচএসসি ভোকেশনাল পাস। এই যোগ্যতায় তারা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে অক্ষম এবং অযোগ্য। তাই শিক্ষক পদে তাদের পদোন্নতি অযৌক্তিক। তাদের জন্য মন্ত্রণালয় ভিন্নভাবে চিন্তাভাবনা চালাচ্ছে যে কীভাবে তাদের সিস্টেমে প্রমোশন দেওয়া যায়। তারাও তাদের সিস্টেমে প্রমোশন পাবে এ বিষয়ে সুন্দর পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রমোশন পাওয়ার অধিকার সবার আছে তবে সেটা হতে হবে যৌক্তিক।

আরও বলা হয়, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি-জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষক) পদে পদোন্নতির জন্য ভিন্ন কোনো মানদণ্ডে বা বাছাই ছাড়া সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে না। শিক্ষকদের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদটি কেবলমাত্র ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা (বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন) এর মাধ্যমে বাছাইকৃত হয়ে নিয়োগ পায়। যার এই পদে আসতে চায় তারা নির্দিষ্ট যোগ্যতা নিয়ে বিপিএসি এর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে যোগ্যতার ভিত্তিতে আসুক। কোনো স্পেশালভাবে এই পদে কারো পদোন্নতি নিয়ে আসার সুযোগ নাই। আমরা চাই, ১৮ তারিখ হাইকোর্ট এ মামলাটি বাতিল করে দিয়ে কারিগরি শিক্ষার স্বচ্ছতা ও মান রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক।

আন্তর্জাতিক সনদসহ লিংকডইনের ফ্রি এআই কোর্স, করবেন যেভাবে
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিক্ষার্থী ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুদান দেবে সরকার,…
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুনিয়র অফিসার নিয়োগ দেবে স্কয়ার গ্রুপ, কর্মস্থল ঢাকা
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আইইউবিএটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক …
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সুযোগ আর ৩ দিন
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
 আ. লীগ নেতাদের হামলায় বিএনপির ৫ নেতাকর্মী আহত
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬