কারিগরি শিক্ষক ফেডারেশনের লোগো © সংগৃহীত
সাধারণ বিষয়ের শিক্ষকদের আন্তঃঅধিদপ্তর (স্কুল-মাদ্রাসা-কারিগরি) বদলি ব্যবস্থার চালু দাবি জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষক ফেডারেশন। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে সংগঠনটির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান কবির বলেন, ‘সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বদলি প্রক্রিয়া চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তবে প্রস্তাবিত বদলি নীতিমালায় যদি শুধুমাত্র সম-অধিদপ্তর (কারিগরি থেকে কারিগরি) ভিত্তিক বদলির সুযোগ রাখা হয়, তবে আমাদের একটি বড় অংশ চরম বৈষম্যের শিকার হবে।’
কারিগরি শিক্ষক ফেডারেশনের দাবিগুলো হলো
অভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়া: এনটিআরসিএ-এর মাধামে একই প্রশ্নপত্র, একই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা এবং একই মেধা তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আবেদনের সময় চয়েস লিস্টে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি সব ধরণের প্রতিষ্ঠানই অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সাধারণ বিষয়ের অভিন্নতা : নিয়োগকৃত বিষয়সমূহ (বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান, ধর্ম ইত্যাদি) এবং পাঠ্যক্রম স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে প্রায় অভিন্ন। তাই এক অধিদপ্তর থেকে অন্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালনে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা কারিগরি বাধ্য নেই।
কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতা : দেশে স্কুল ও মাদ্রাসার তুলনায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অভান্ত কম। কারিগরি থেকে কারিগরি বদলির নিয়ম থাকলে, কারিগরিতে কর্মরত সাধারণ বিষয়ের শিক্ষকরা শূন্যপদ না থাকায় প্রায় কখনোই বদলি হতে পারবেন না।
একই সফটওয়্যার ও ডাটাবেজ : যেহেতু সকলের নিয়োগ দাতা এনটিআরসিএ এবং বেতন-ভাতা প্রদানের (MX)) প্রক্রিয়াও ডিজিটাল সেহেতু একই সফটওয়্যারের মাধামে আন্তঃঅধিদপ্তর বদলি সমন্বয় করা সম্ভব।