পড়ার টেবিল না থাকলেও ভর্তির সুযোগ পেলেন ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে

২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৩৩ AM
বৃষ্টি সরকার

বৃষ্টি সরকার © সংগৃহীত

ছোট বেলা থেকেই দারিদ্রতার সাথে যুদ্ধ করে বড় হয়েছেন। পড়ার জন্য ছিল না টেবিলও। তবুও হাল ছাড়েননি তিনি। কঠোর পরিশ্রম করেছেন, করেছেন সংগ্রাম। শেষমেষ ফলাফলও পেয়েছেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বলছিলাম বৃষ্টি সরকারের কথা। সে ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করে। ২০১৮ সালে সারদা সুন্দরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

বৃষ্টির বাবা বিশ্বজিৎ সরকার ফরিদপুর শহরে এক চালের দোকানের সাধারণ কর্মচারী। আর মা দর্জির কাজ করেন। তাদের কষ্টার্জিত টাকা দিয়েই পড়ালেখা করেছেন বৃষ্টি।

বৃষ্টির বাবা বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, আমি ফরিদপুর শহরে এক চালের দোকানের সাধারণ কর্মচারী। মালিকের কাছ থেকে যে টাকা পাই তাই দিয়ে চলে আমার চার সদস্যের টানাটানির সংসার। বৃষ্টির মা গীতা রানী দর্জির কাজ করে কিছু টাকা আয় করেন এবং এ দিয়েই বৃষ্টির পড়ার খরচের যোগান দেয়।

নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে বৃষ্টি বলেন, পড়ার ইচ্ছা থাকলে অভাব কোনো বাধা নয়। আমি আমার কলেজ শিক্ষকদের কাছ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখেছি। আমার সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমি আমার শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও প্রণাম জানাই। পাশাপাশি দেশবাসীর কাছে আশীর্বাদ চাই।

তিনি আরও বলেন, আমি ভবিষ্যতে আমার স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে চাই। আমার স্বপ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হওয়ার।

নৌবাহিনী নিয়োগ দেবে অফিসার ক্যাডেট, আবেদন এইচএসসি পাসেই
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
বিপাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শি…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকে, থানায় জিডি করলেন ঢাবি শিক্ষিকা মোন…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
অনার্স প্রথম বর্ষের স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
চার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকাকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬