ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাকে দেখে নেওয়ার হুমকি সনজিতের

১১ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২২ AM
সনজিত চন্দ্র দাস ও মো. আল আমীন সিদ্দিক

সনজিত চন্দ্র দাস ও মো. আল আমীন সিদ্দিক © টিডিসি ফটো

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল আমীন সিদ্দিককে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। আল আমীনের অভিযোগ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি ঘটনা তুলে সনজিত তার উপর চড়াও হন।

আল আমীন সিদ্দিক বলেন, সোমবার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে সনজিত চন্দ্র দাস তাঁর ওপর চড়াও হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: ভর্তিচ্ছুদের জন্য নিজের রুম ছেড়ে দিলেন ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিত

এ ঘটনার কয়েক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আল আমীন সিদ্দিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক ওয়ালিউল্লাহ রাশুকে থাপ্পড় দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন সনজিত। এ সময় তিনি আল আমীন সিদ্দিককে গালিগালাজ করেন এবং ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন। সনজিতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘ধাক্কা লাগায়’ ছাত্রলীগ নেতাকে চড় মারলেন সনজিত

আল আমীন সিদ্দিক বলেন, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির মধ্যে ওয়ালিউল্লাহ রাশু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফরিদা পারভীনের গায়ের ওপর গিয়ে পড়েন। ফরিদা তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন, তাঁরাও তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি মধুর ক্যানটিনে এসে সনজিত চন্দ্র দাসের কাছে বিচার দেন।

ধানমন্ডি থেকে ফিরেই সনজিত চন্দ্র দাসের ওই আচরণের মুখোমুখি হন বলে জানান আল আমীন সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘সনজিত আমাকে ডেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময় তিনি আমাকে থাপ্পড় দেওয়ার হুমকিও দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কীভাবে রাজনীতি করি, তা তিনি দেখে নেবেন। আমি রাশুকে কোনো থাপ্পড় দিইনি, শুধু সরিয়ে দিয়েছিলাম।’

কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ফরিদা পারভীন জানান, ধানমন্ডিতে কোনো থাপ্পড় বা মারামারির ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে ধানমন্ডিতে বেশ ভিড় ছিল। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা যখন ফিরছিলাম, তখন ওয়ালিউল্লাহ রাশু তাঁর বাঁ পাশে ছিলেন৷ তাঁর পেছনেও নেতা-কর্মীদের বেশ চাপ ছিল।

আরও পড়ুন: যে কয়টা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দাঁড়াবে সবকটাকে পেটাব: সনজিত

ফরিদা পারভীন জানান, একপর্যায়ে তিনি বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ওয়ালিউল্লাহ রাশুকে জায়গা করে দিতে বলেন। তিনি বলেন, এ সময় পাশেই থাকা আল আমীন সিদ্দিকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ কেউ রাশুকে সাইড দিতে বলেন এবং হাত দিয়ে তাঁকে কিছুটা সরিয়ে দেন। তখন রাশু বলেন, পেছন থেকে চাপ থাকায় তিনি সরতে পারছেন না। তখন আল আমীন সিদ্দিকসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা কথা প্রসঙ্গে রাশুকে সাইড দিতে বলেছেন।

যাঁকে থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগে এই গালিগালাজ ও হুমকি, সেই নেতা ওয়ালিউল্লাহ রাশুর মুঠোফোনে ফোন করে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে জানতে সনজিত চন্দ্র দাসের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদেরও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জার্মানিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালন
  • ০১ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জে ইয়াবাসহ তরুণী গ্রেপ্তার
  • ০১ জুন ২০২৬
ডাকসুর ভিপি, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অ…
  • ০১ জুন ২০২৬
পবিপ্রবিতে জিয়া পরিষদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নেতাদের…
  • ০১ জুন ২০২৬
‘ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানকে সরানো হবে না’
  • ০১ জুন ২০২৬
পুকুরে ভাসছিল নবজাতকের মরদেহ
  • ০১ জুন ২০২৬