চাঁদা না পেয়ে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম, নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতা

১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০৩ AM
ছাত্রলীগ নেতা জয় (গোলবৃত্তে)

ছাত্রলীগ নেতা জয় (গোলবৃত্তে) © সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে চাঁদা না দেওয়ায় এক কাপড় ব্যবসায়ীসহ তিনজনকে কুপিয়েছে একদল সন্ত্রাসী। যার নেতৃত্বে ছিল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরুল হাসান জয়। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় পল্লবী থানা এলাকার মিরপুর ১১ নম্বরের এভিনিউ ফাইভের হাজী হোটেলের সামনে ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা জয়সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ীর বড় ভাই সৈয়দ সাদ্দাম হোসেন।  

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আমার ছোট ভাই সৈয়দ ফয়েজের মিরপুর ১০ নম্বরে সামিয়া সিল্ক হাউজ নামে একটি বেনারসী শাড়ির দোকান রয়েছে। চলতি মাসের ১৩ তারিখ ছাত্রলীগ নেতা জয় তার সহযোগীদের নিয়ে দোকানে গিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ফয়েজ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে জয়ের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর-১১ নম্বর এভিনিউ ফাইভ হাজী হোটেলের সামনে ফয়েজ তার বন্ধুদের নিয়ে একটি দোকানে চা পান করছিলেন। এমন সময় জয় তার বাহিনী নিয়ে ওই দোকান ঘিরে ফেলেন। এরপর তার উপর ধারালো অস্ত্র ও চাপাতি দিয়ে হামলা চালানো হয়। জয়সহ অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী এ হামলায় অংশ নেন। এর মধ্যে ১০ জনকে চিহ্নিত করা গেছে। ফয়েজকে এলোপাতাড়ি কোপাতে দেখে তার বন্ধু ইমরান, জুয়েলসহ আরও কয়েকজন এগিয়ে এলে তাদেরও  কোপানো হয়।  

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে মাথার ডান পাশ, বুকের মাঝ বরাবরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা জয়। চাপাতির কোপে তার বুড়ো আঙ্গুল আলগা হয়ে গেছে। বাঁচার জন্য ফয়েজ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করেন। বর্তমানে আমার ভাইসহ তার পরিচিত ইমরান ও জুয়েলের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।  

জানা যায়, রাজনীতির পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন ছাত্রলীগ নেতা জয়। তার বাবাও এ হাসপাতালের কর্মচারী। বাবার বদৌলতে তিনি হাসপাতালে  কর্মচারী পদটি বাগিয়ে নেন। পল্লবী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি না হয়েও তিনি  নিজেকে সভাপতির পরিচয় দেন। এজন্য ভিজিটিং কার্ডও করেছেন। অবশ্য আসন্ন সম্মেলনে তিনি পল্লবী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী।  

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন বলেন, মারামারি ও হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে আমি জানি না। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।  

অভিযোগের তদন্তকারী ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে যাদের কোপানো হয়েছে, তারা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে থানায় এসেছিলেন। কোপানোর ঘটনা সত্যি। তবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার জন্য এ হামলা হয়েছে কিনা, তা এখনই বলতে পারছি না। অভিযোগের তদন্ত চলছে।

মিরসরাইয়ে অগ্নি দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
পাকা চুলের সঙ্গে ক্যানসারের যোগসুত্র, গবেষণা যা বলছে 
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশের ইউএনওদের মীর শাহে আলমের সতর্কবার্তা
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সালাহউদ্দিন আহমেদের সমন্বয় ছাড়া ৩৬ দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান …
  • ০৩ অক্টোবর ২০২৬
অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই ভর্তি কার্যক্রম শুর…
  • ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রতি জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হবে: ক্রীড়া প্রত…
  • ০৩ অক্টোবর ২০২৬