দেশের জনগণের কল্যাণে ছাত্রলীগকে কাজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার বিকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের স্মরণে গণভবনে আয়োজিত শোকসভায় এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে ছাত্রলীগের নাম জড়িতে রয়েছে। দেশের জন্য ছাত্রলীগের অগণিত নেতা-কর্মী আত্মহুতি দিয়েছে। আর্দশ ও নীতি না থাকলে কখনো নেতা হওয়া যায় না। আর সাময়িকভাবে নেতা হওয়া গেলেও সে নেতৃত্ব দেশ ও জাতিকে কিছু দিতে পারবে না। সব কিছু ত্যাগ করে নিজের আর্দশ নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারলে, মানুষের ভালোবাসা ও আস্তা আর্জন করতে পারলে, এই ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করাই হচ্ছে এক রাজনৈতিক নেতার জীবনে অমূল্য সম্পদ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সঙ্গে কত সাথী আমরা এক সঙ্গে দিনের পর দিন মিটিং করেছি, মিছিল করেছি তারা অনেকে জীবন দিয়ে গেছেন সেই মহান মুক্তিযুদ্ধে।তার পরবর্তীতে স্বাধীনতার পর অনেকে বিভ্রান্তিতে পরে আর্দশচুত্য হয়েছে।এটাই হচ্ছে সব থেকে দূর্ভাগ্যের ব্যাপার। আর্দশ ও নীতি না থাকলে কখনো নেতা হওয়া যায় না।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আর্দশের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকার একমাত্র পথ যেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। আজকে সারা বাংলাদেশকে নয় বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে প্রতিবছর ৩১ আগস্ট ছাত্র সমাবেশ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সারাদেশ থেকে সমাবেশে যোগ দিতে আসেন ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা।