তিতুমীর কলেজ

ফেসবুক পোস্টের জেরে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ছাত্রদলের, পকেটে গাঁজা গুঁজে দেয়ার অভিযোগ  

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫১ PM , আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৬ PM
অভিযুক্ত সেলিম রেজা ও ছাত্রদলের লোগো

অভিযুক্ত সেলিম রেজা ও ছাত্রদলের লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর এবং তার পকেটে মাদক গুঁজে দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সেলিম রেজা ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. সানি কলেজের ২০২২-২৩ সেশনের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

অভিযোগ অনুযায়ী, ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সানিকে টার্গেট করা হয় এবং পরে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার পকেটে গাঁজা গুঁজে দিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের সঙ্গে তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভায় ছাত্রদলের একাংশের আচরণ নিয়ে সানি একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। এর জের ধরে বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে তাকে সাংবাদিক সমিতির পরিচয় দিয়ে ডেকে নিয়ে কলেজ সংলগ্ন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর একটি পরিত্যক্ত স্থানে আটকে মারধর করা হয়।

ভিডিও বার্তার পোস্টে তিনি লেখেন, ভিসি স্যারের সামনে ছাত্রদল এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমাদের অধ্যক্ষ ছদরুদ্দিন সাহেব এবং ছাত্রদলের কতিপয় নেতাই দায়ী যাদের সেশন আর আমাদের জন্মের সাল একই। ছাত্রদলের ভাইদের প্রতি অনুরোধ, আপনাদের দলের ভাবমূর্তি যারা নষ্ট করছে, সেই সব সুযোগ সন্ধানীদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিন।

আরও পড়ুন: নিয়োগের ১ মাসেও অফিস পাননি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা বলেন, রাজউকের নির্জন স্থানে ছাত্রদলের কয়েকজনকে জটলা করে থাকতে পাই। কাছে গিয়ে দেখি তারা একজনকে মারধর করছে, পরে জানতে পারি সে সানি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সানি বলেন, আমাকে রাজউকের ভেতরে নেওয়ার পর সেলিম রেজা আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে আগের দিনের ভিডিও বার্তা নিয়ে আমাকে জেরা করা হয় এবং মারধর করা হয়। তারা আমাকে দিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নিতে চেয়েছিল। আমি রাজি না হওয়ায় আমার পকেটে গাঁজা ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। বাধা দিলে তারা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। পরবর্তীতে ছাড়া পাওয়ার পর আমি একটি হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি।

এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সেলিম রেজা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। এ ধরনের অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। আমার বিরুদ্ধে একদল নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

চোলাই মদসহ জনতার হাতে চমেকের অফিস সহায়ক আটক
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কৃষক কবিরের ছবিগুলো এআই
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি, সিএনজি চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়েছে মির্জা আব্বাসকে
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বাসায় একা পেয়ে সাত বছরের শিশু ধর্ষণ, বাড়িওয়ালা গ্রেপ্তার
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬
দুই সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগে ছয় ছাত্রদল নেতাকে শোকজ 
  • ১৫ এপ্রিল ২০২৬