ডাকসু-জাকসু-রাকসু নির্বাচন সেপ্টেম্বরে, অন্যগুলো কবে?

৩০ জুলাই ২০২৫, ০৫:৫০ PM , আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২৫, ০৮:৪৮ AM
লোগো

লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রসংসদ নির্বাচন নিয়ে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু, ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু এবং ১৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে  অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে  ছাত্রসংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।   

দেশের চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তফসিল ঘোষণা হলেও এই নির্বাচনী জোয়ারে এখনো পিছিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। সবশেষ ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল চাকসু নির্বাচন। এরপর দীর্ঘ ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আর কোনো নির্বাচন হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন জানান, আগামী ১ আগস্ট সিন্ডিকেটে চাকসুর নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত হবে। এরপর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কমিটি রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই চাকসু নির্বাচন সম্ভব।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে  ছাত্রসংসদ  নির্বাচনের নিয়ম নেই। তবে প্রশাসন এই নির্বাচন করার পক্ষে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. তাজাম্মুল হক। তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি জকসু নির্বাচন করা সম্ভব। আইনে নেই তো সংযুক্ত  করে হবে। প্রশাসনের সার্বিক চেষ্টা আছে। আইনে সংযুক্ত হয়ে আসলে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি সময়ে নির্বাচন সম্ভব বলে আমি মনে করি। এখানে অসম্ভব বলতে কিছু আছে আমার জানা নেই।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (কুকসু) গঠন এবং নির্বাচনের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের  রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যগণ কুকসু নিয়ে সকল প্রকার স্টাডি করে তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিবেন। তারই প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

অন্যদিকে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইনেই ছাত্রসংসদের কোনো উল্লেখ নেই। এমনকি ২০১০ সালের আইন সংশোধনের সময়ও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ছাত্র সংসদের বিষয়ে ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ইনস্টিটিউশনাল ফ্রেম ওয়ার্ক নেই অর্থাৎ ছাত্রসংসদ এখানে আইনগত ভাবে স্বীকৃত নয়। তাই ছাত্র সংসদ গঠন করতে হলে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ, আদালতের আদেশ ও সংসদ কর্তৃক পাস করা নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে। দলীয় নির্বাচিত সরকার ছাড়া এটি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। যদি ছাত্রসংসদ নির্বাচন আমরা এখানে করতে পারি, আমি মনে করি ছাত্র রাজনীতিতে একটা সুস্থ ধারার রাজনীতি ফিরে আসবে। 

ডিএমপির নতুন কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
  • ১৫ মে ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতার কালানুক্রমিক ইতিহাস ও তাদের…
  • ১৫ মে ২০২৬
নিজ কক্ষে মিলল ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ
  • ১৫ মে ২০২৬
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করল সুইডেন
  • ১৫ মে ২০২৬
৬ বছর পর কলেজ র‍্যাঙ্কিং প্রকাশের উদ্যোগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যাল…
  • ১৫ মে ২০২৬
নোবিপ্রবির বিদায়ী উপাচার্যের আবেগঘন বার্তা
  • ১৫ মে ২০২৬