৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য এর বিবৃতি

৩১ জুলাই ২০১৮, ০৮:২৯ PM
লোগো

লোগো

বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ অন্যায় ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক সাজানো মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে আটক রাখার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দ ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় একজন রাজনীতিবিদ। তিনি এদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, একজন মহান জাতীয়তাবাদী নেতা। প্রায় চার দশক ধরে এদেশের উন্নয়ন, উৎপাদন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার গণতান্ত্রিক সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ঐতিহাসিক ও সর্বজনবিদিত।

উপরন্ত তিনি নানাবিধ গুরুতর শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তাঁকে রাখা হয়েছে পরিত্যক্ত ও নির্জন একটি কারাগারে। তাঁর মামলা, জামিন ও চিকিৎসা নিয়ে যে ধরনের নেতিবাচক, কুৎসিত ও প্রতিহিংসামূলক তৎপরতা আমরা দেখছি তা খুবই দূর্ভাগ্যজনক।

এতবড় একজন মহান রাজনীতিবিদের সাথে এহেন অমানবিক আচরণ কোন সামরিক জান্তা বা ফ্যাসিবাদী শাসনকেও হার মানায়। এতে করে দেশের আইন আদালতের প্রতি মানুষের সর্বশেষ আস্থাটুকুও আর অবশিষ্ট থাকবে বলে মনে হয় না। আর তাতে সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ ও ঘৃনাই কেবল তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আদালতের প্রতি সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ বন্ধ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা এবং নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।নেতৃবৃন্দ একইসাথে বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী এ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এর প্রতিও সরকারের নগ্ন প্রতিহিংসামূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, জনাব শিমুল বিশ্বাস ডায়াবেটিস, কিডনি, চোখের রোগসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত।

আশঙ্কাজনকভাবে তাঁর দৈহিক ওজন কমে গেছে। কারাগারে তাঁর কোন সুচিকিৎসাই হচ্ছে না। বারবার আবেদনের পরে আদালত তাঁর সুচিকিৎসার নির্দেশ দিলেও কারাকর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে তেমন কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। এখন পর্যন্ত তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে যথাযথ কোন ব্যবস্থাই করা হয় নাই।

একইভাবে তাঁর মামলা ও জামিন নিয়েও টালবাহানা করা হচ্ছে। তাঁকে ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জ কারাগারের একটি নির্জন সেলে রাখা হয়েছে। কারাবিধি অনুযায়ী তাঁর পরিবার ও আত্মীয়স্বজনকেও তাঁর সাথে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। নেতৃবৃন্দ শিমুল বিশ্বাসের প্রতি এহেন ন্যাক্কারজনক ও হিংসাত্মক আচরণ বন্ধ করে তাঁর সুচিকিৎসা এবং অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করেন।

নেতৃবৃন্দ একইসাথে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু এবং ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিবসহ সকল রাজবন্দীকে হয়রানী না করে অবিলম্বে তাদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান।

বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেন-সর্বজনাব আমানউল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাইফ উদ্দিন আহমেদ মনি, খন্দকার লুৎফর রহমান, সালাহউদ্দিন তরুন এবং আসাদুর রহমান আসাদ।

চীনের টুরিস্ট ভিসার আদ্যোপান্ত
  • ২৯ জুন ২০২৬
মোবাইলে যেভাবে দেখবেন ব্রাজিল-জাপানের ব্লকবাস্টার ম্যাচ
  • ২৯ জুন ২০২৬
জাতীয় সংসদে অর্থবিল ২০২৬ পাস
  • ২৯ জুন ২০২৬
১৫ মিনিটের ভাইভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পৃথিবীর কোথা…
  • ২৯ জুন ২০২৬
ডাকসু নির্বাচনকেন্দ্রিক বরাদ্দ নেই, বাজেট ঘাটতি দেখিয়ে আবার…
  • ২৯ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ১৩…
  • ২৯ জুন ২০২৬