বেতন বৈষম্য নিয়ে আর কত লুকোচুরি?

৩০ মার্চ ২০১৯, ০৫:০৬ PM

১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছিলেন। তখন প্রধান শিক্ষকের বেতনের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতনের পার্থক্য ছিল না।  পে-স্কেল অনুযায়ী প্রধানশিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ছিল ২২০ টাকা। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ফর্মুলার কারণে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকের বেতন বা গ্রেডের ব্যাপক পার্থক্য গড়ে ওঠে।

সহকারী শিক্ষকরা তাঁদের ন্যায্য দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা চালাতে থাকেন। আলোচনায় কাজ না হলে শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আমরণ অনশনে যান; তত্কালীন গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান তাঁদের বেতন বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দিয়ে অনশন ভাঙান।

তারপর থেকে আজ অবধি এই বেতন বৈষম্যের ব্যাপারে প্রেস কনফারেন্সের বক্তব্য ছাড়া কিছুই হয়নি। গত ১৯-৩-২০১৯ তারিখে মাননীয় উপসচিব মহোদয়ের চিঠিতে বিশেষ কোনো নির্দেশনা না থাকায় সহকারী শিক্ষকরা হতাশ।  তাই বলতে ইচ্ছে করে, ১১তম গ্রেডের দাবি যদি যৌক্তিক হয়, তাহলে কেন এত লুকোচুরি। 

আরো পড়ুন:সময় ৭ দিন, এরপর বৃহত্তর আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষকদের

লেখক: জামিল বাসার, সহকারী শিক্ষক, বওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।

এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে আকিজ ডেইরি, আবেদন ২১ আগস্ট পর্যন্ত
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চুয়েটের পুকুরে ঝরল আরও দুই প্রাণ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বিএনপি সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ, জামায়াতের ৩ নেতাকর্মী গ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রাথমিকের দুই বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষককে শোকজ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ইমেরিটাস অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাকের ৮৫তম জন্মবার্ষিকীতে বরেন…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬