© ফাইল ফটো
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের গাণিতিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন। তিনি বলেন, গানিতিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে দক্ষ করে তুলতে হবে, যা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি গাণিতিক দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা পালন করবে।
রবিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের গাণিতিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের উদ্বোধনী ও অবহিতকরণ কর্মশালায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অচিরেই দেশর সব প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু করা হবে। গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি ও সক্ষমতা যাচাই শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে গণিত ভীতি দূর করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, গণিত শেখার পদ্ধতি যদি আমরা প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীদের কাছে পৌছাতে পারি , তবে দেশটাই পরিবর্তন হয়ে যাবে। সৃজনশীল মেধার, যুক্তিশীল একটা প্রজন্ম গড়ে উঠবে।
মৌসুমী মৌ’র সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ মনজুর কাদির,অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মুনির হোসেন, এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড এর যাত্রা শুরু হয়। ১৭ টি জেলার ১৭ উপজেলার ৮০ টি স্কুলের প্রতিটি স্কুল থেকে ৩ জন শিক্ষককের প্রশিক্ষণে মোট মোট ২৪০ জন শিক্ষক নিয়ে গণিত অলিম্পিয়াড শুরু হয়।