ক্ষুদে শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই; ফাইল ছবি © সংগৃহীত
সহসাই হচ্ছে না প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পরিমার্জিত বই। এজন্য সময় নেওয়া হচ্ছে আরো বছর দেড়েক। অর্থাৎ আগামী বছর (২০১৯) নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন এবং ২০২০ সালে সে অনুযায়ী ছাপানো হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।
তথ্যমতে, ২০১৭ সালে হঠাৎ করেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবই থেকে কিছু গল্প ও কবিতা বাদ দেওয়ায় সমালোচনার শুরু হয়। দাবি ওঠে- বাদ পড়া গল্প কবিতা আবারও ফিরিয়ে আনার। কিন্তু কয়েকটি শ্রেণির কয়েকটি বিষয় সুখপাঠ্য করা ছাড়া চলতি বছর পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হয়নি বাদ পড়া ওই গল্প-কবিতা। যেটা করতেই আরো কিছুদিন সময় লাগছে।
বিষয়টি সম্পর্কে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র সাহা জানান, শিক্ষাবিদদের বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে। বই সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়েও কিছু সুপারিশ রয়েছে। সবকিছু পর্যালোচনা করে ২০২০ সাল থেকে নতুন পাঠ্যবই পরিবর্তন ও পরিমার্জন করা হতে পারে।
জানা যায়, হেফাজতের দাবির মুখে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবই থেকে প্রগতিশীল লেখকদের কয়েকটি লেখা গল্প-কবিতা বাদ দেওয়া হয়। এসব লেখা বাদ পড়ার কারণে শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন মহল থেকে শুরু হয় সমালোচনা। তোপের মুখে পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠ্যবই পর্যালোচনা ও সুখপাঠ্য করতে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করে। পাঠ্যবই পর্যালোচনা করে বাদ পড়া গল্প-কবিতা আবার ফিরিয়ে আনাসহ পাঠ্যবইয়ের নানান অসঙ্গতি দূর করার জন্য ওই কমিটি বেশ কয়েকটি সুপারিশ দেয়। অন্যদিকে, ওই কমিটি বেশ কয়েকটি বই সুখপাঠ্য করে। সুখপাঠ্য করার পর সে বই ছেপে চলতি বছরের শুরুতেই পৌঁছে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের হাতে। অথচ বাদ পড়া গল্প কবিতা আর ফিরে আসেনি।