লেভেল-৭ থেকে বিশ্বমঞ্চে: দ্যুতি ছড়াচ্ছে নর্থ সাউথের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ PM , আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৬ PM
নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ)  ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিন

নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিন © টিডিসি

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে এসেছে, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) লেভেল ৭-এ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিনের ল্যাবে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিক্ষার্থীরা। সার্কিট বোর্ডের ওপর ঝুঁকে বসে আছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। কারও হাতে সোল্ডারিং আয়রন, কেউ আবার ল্যাপটপে কোড লিখছে। ক্লান্তির চিহ্ন থাকলেও চোখে মুখে এক ধরনের তৃপ্তি। যেন তারা জানে— এই ছোট্ট ল্যাবের কাজই একদিন পৌঁছে দিতে পারে বড় কোনো জায়গায়।

এই ল্যাব, এই শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন আর শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই সাম্প্রতিক কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস-২০২৬-এর বিষয়ভিত্তিক র‍্যাংকিং-এ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই)। প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়টির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ডিসিপ্লিন বিশ্বব্যাপী ৪০১-৪৫০ ব্যান্ডে স্থান লাভ করেছে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করেছে। এ ছাড়া কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস প্রোগ্রাম বিশ্বব্যাপী ৫৫১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে এবং দেশে তৃতীয় অবস্থান অর্জন করেছে। 

অর্জনের পেছনের গল্প
সম্প্রতি প্রকাশিত কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংয়ের বিষয়ভিত্তিক তালিকায় এই অবস্থান অর্জন করেছে বিভাগটি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। শুধু নামের তালিকায় ওঠা নয়, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের গবেষণা, আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনা এবং শিক্ষার মান ধরে রাখার প্রচেষ্টা। বিভাগের শিক্ষকরা নিয়মিত গবেষণায় যুক্ত থাকছেন, অংশ নিচ্ছেন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। এসব কাজই ধীরে ধীরে বিভাগটিকে বৈশ্বিক মানচিত্রে জায়গা করে দিতে সাহায্য করেছে। 

বিভাগীয় ল্যাবে হাতে-কলমে শিখছেন শিক্ষার্থীরা

১৯৯৩ সালে যাত্রা শুরু করে সিএসই বিভাগ। আর ২০০৯ সালে ইইই প্রোগ্রাম চালুর পর দুইটি প্রোগ্রামকে এক করে গঠন করে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিনের। বর্তমানে ডিসিপ্লিনটিতে মোট ৬ হাজার ৪১৩ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। এর মধ্যে সিএসই প্রোগ্রামে ৪ হাজার ৭২০ জন এবং ইইই প্রোগ্রামে রয়েছেন ১ হাজার ৬৭০ জন শিক্ষার্থী। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আছেন ১৪৮ জন, যেখানে সিএসই–তে ১১৪ এবং ইইই–তে ৩৪ জন। 

৬৩ জন কোর (স্থায়ী) ফ্যাকাল্টি সদস্য আছেন, যার মধ্যে ৩৮ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী। সব ফ্যাকাল্টি সদস্যের অন্তত একটি বিদেশি ডিগ্রি রয়েছে এবং তাদের অধিকাংশই উত্তর আমেরিকা, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন সুনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ডিপার্টমেন্টটি আরও কয়েকজন খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) ফ্যাকাল্টি সদস্য রয়েছেন প্রায় ৪০ জন। 

একজন শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন শেষে কী ধরনের দক্ষতা অর্জন করবে, সেটিকে সামনে রেখে পুরো কারিকুলাম ডিজাইন করা হয়। আমরা নিয়মিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ইন্ডাস্ট্রি পার্টনারদের কাছ থেকে ফিডব্যাক নিয়ে কারিকুলাম আপডেট করি। - ড. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, বিভাগীয় প্রধান, ইসিই

ডিসিপ্লিনের ডিন অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, র‍্যাংকিংয়ের জায়গা করে নেওয়ার জন্য আমাদের আন্তর্জাতিকীকরণ, গবেষণা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, আর্স্তজাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা, গবেষণার মান ও সংখ্যায় আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। আমরা শুধু র‍্যাংকিং-এ জায়গা করে নেওয়াকে গুরুত্ব না দিয়ে, গবেষণার সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। আমাদের এখানে যারা শিক্ষক আছেন, তারা অ্যাকাডেমিক কাজের বাইরে নিয়মিত গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমরা শিক্ষক নিয়োগের মান নিশ্চিতে গুরুত্ব দিয়েছি। যেমন, যারা বর্তমানে আছেন সবাই ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসেছেন। 

শিক্ষার মান ও চ্যালেঞ্জ
শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষকদের সঙ্গে গবেষণায় অংশ নিচ্ছেন, যা তাদের শেখার অভিজ্ঞতাকে বাস্তবমুখী করে তুলছে। গবেষণা কাজের সুযোগ বাড়াতে রয়েছে, মেশিনে ইন্টেলিজেন্স ল্যাব, সার্কিট ডিজাইন ল্যাব, পাওয়ার সিস্টেম ল্যাব, ডায়াল ল্যাব (DIAL lab), সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম রিসার্চ ল্যাব। এর মধ্যে টিএনআর ল্যাব (TnR Lab), সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমস রিসার্চ ল্যাব (Cyber-Physical Systems Research Lab), অ্যাপ্লাইড আইওটি অ্যান্ড মেশিন লার্নিং ল্যাব (Applied IoT and Machine Learning - AIML Lab), অপটিক্স ল্যাব (Optics Lab), মাহজাবীন ল্যাব (Mahzabeen Lab - ML) অন্যতম। 

শুধু পাঠদান নয়, গবেষণাও এই বিভাগের অন্যতম শক্তি। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণায় যুক্ত করতে যুক্ত হন শিক্ষকদের সঙ্গে গবেষণায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, সিগন্যাল প্রসেসিং, ন্যানোটেকনোলজি থেকে শুরু করে এমবেডেড সিস্টেম, বিভিন্ন আধুনিক গবেষণা ক্ষেত্রে কাজ করছেন শিক্ষকরা। এই বিভাগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ একাডেমিক সম্পর্ক। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত একাডেমিক উপদেষ্টা থাকেন, যিনি নিয়মিত গাইডলাইন প্রদান করেন, কোর্স নির্বাচন থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা পর্যন্ত। শুধু ক্লাসরুম নয়, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি গবেষণায় অংশ নিচ্ছেন। 

শিক্ষকবৃন্দের রয়েছে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। অধিকাংশ শিক্ষকই বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং সক্রিয়ভাবে গবেষণায় নিয়োজিত। তাদের গবেষণা নিয়মিতভাবে IEEE, Elsevier, Wiley এবং Springer-এর মতো স্বীকৃত প্রকাশনা সংস্থার জার্নালে প্রকাশিত হয়, যা একাডেমিক পরিবেশকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক রাখে।

কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস-২০২৬-এর বিষয়ভিত্তিক র‍্যাংকিং-এ সাফল্য অর্জনের পর উদযাপনে ইসিই পরিবার

বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমাদের কারিকুলাম সম্পূর্ণ আউটকাম বেসড এডুকেশন (OBE) পদ্ধতিতে তৈরি। অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন শেষে কী ধরনের দক্ষতা অর্জন করবে, সেটিকে সামনে রেখে পুরো কারিকুলাম ডিজাইন করা হয়। আমরা নিয়মিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ইন্ডাস্ট্রি পার্টনারদের কাছ থেকে ফিডব্যাক নিয়ে কারিকুলাম আপডেট করি।

তিনি আরও বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ল্যাবগুলো এমনভাবে সাজানো, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানই নয়, বরং বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করে। তারা সার্কিট ডিজাইন, ব্রেড বোর্ডে কাজ এবং বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট নিয়মিতভাবে অনুশীলন করে, এমনকি ক্লাস আওয়ারের বাইরেও ল্যাবে কাজ করার সুযোগ পায়। আমরা প্রজেক্ট-বেসড এবং প্রবলেম-বেসড লার্নিংয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দিই। লেকচার ডেলিভারি, কোর্স আউটলাইন ও কোর্স স্পেসিফিকেশন, সবকিছুতেই এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে পারে।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বেশ কয়েকটি সক্রিয় সংগঠন কাজ করছে এই ডিসিপ্লিনে। এসব সংগঠন শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট ফিল্ডে আগ্রহী করে তোলা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্ডাস্ট্রি প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে অন্যতম, এসিএম স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব। এছাড়া কার্যক্রম রয়েছে আইইইই-স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পেশাজীবী সংগঠন। অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি বা এসিএম চ্যাপ্টার প্রোগ্রামিং কনটেস্ট, কোডিং ওয়ার্কশপ আয়োজন করে। কম্পিউটার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব টেক ইভেন্ট, সেমিনার ও প্রজেক্ট শোকেস আয়োজন করে থাকে। 

আমরা ইন্ডাস্ট্রি-ড্রিভেন কারিকুলাম অনুসরণ করছি, যাতে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কোনো দূরত্ব না থাকে। - ড. সাজ্জাদ হোসেন, ডিন, ইসিই

ইইই প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী আরিফ ফয়সাল সাদ বলেন, শিক্ষকরা সবাইকে রিসার্চ পেপার পাবলিশে উৎসাহ দেয়। ফলে আমার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে থেকেই পেপার পাবলিশ করতে পারছি। আমাদের ল্যাবের সুযোগ-সুবিধাও ভালো। ফলে আমরা সময়ের থেকে এগিয়ে থাকার সুযোগ পাচ্ছি। এছাড়া সংগঠনগুলোর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন কনটেস্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাই, যা আমাদের আত্মবিশ্বাস ও সাবজেক্টের প্রতি আরও উৎসাহী করে তোলে। 

বিশ্বমুখী যাত্রা
বর্তমানে ইসিই বিভাগ শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাচ্ছেন, কেউ কেউ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। সম্প্রতি বিভাগটি ওয়াশিংটন একর্ডের স্বীকৃতিও অর্জন করেছে। 

বর্তমানে ইসিই বিভাগ শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য স্ট্যানফোর্ড, হার্ভার্ড, ওয়েন স্টেট ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স ও পিএইচডির জন্য জায়গা করে নিচ্ছেন। গুগল, মাইক্রোসফটের মত কোম্পনিগুলোতেও আছে এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পদচারণা।

ল্যাব ক্লাসে ইসিই শিক্ষার্থীরা

ভবিষ্যতের লক্ষ্য ও সীমাবদ্ধতা 
র‍্যাংকিংয়ে জায়গা করে নেওয়ায় শেষ নয়, বরং একটি নতুন যাত্রার শুরু হিসেবে দেখছেন শিক্ষকরা। সামনে আরও ভালো অবস্থানে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বিভাগের। গবেষণার পরিধি বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং আধুনিক ল্যাব সুবিধা উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আরও বেশি ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা দেওয়ার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে সেই যাত্রাতেও রয়েছে নানামুখী সীমাবদ্ধতা। 

বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, আমাদের ডিপার্টমেন্টের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে নতুন কিছু প্রোগ্রাম চালু করা। বিশেষ করে সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্টিফিশিয়াল, ইন্টেলিজেন্স ও ডাটা-সম্পর্কিত বিষয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট— উভয় পর্যায়ে প্রোগ্রাম চালুর বিষয়ে আমরা ভাবছি।

ডিসিপ্লিনের ডিন অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ায় গবেষণা সরাসরি শিল্পে প্রয়োগ হয়। সেখানেই প্রযুক্তি ও অর্থনীতি এগিয়ে যায়। আমাদের দেশে গবেষণার সেই শিল্পভিত্তিক সংযোগ এখনো দুর্বল, বাংলাদেশে গবেষণা অর্থায়ন খুবই কম। শিল্পখাত গবেষণা থেকে পর্যাপ্ত উপকার না পাওয়ায় বিনিয়োগও কম। এই বাস্তবতা পরিবর্তন না হলে র‍্যাংকিংয়ে টেকসই উন্নতি কঠিন হবে। শিক্ষার্থীরা যেন গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেই সরাসরি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারে। এজন্য আমরা ইন্ডাস্ট্রি-ড্রিভেন কারিকুলাম অনুসরণ করছি, যাতে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কোনো দূরত্ব না থাকে।

চাইলেই কি দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবে—কি বলছে ইসলাম
  • ০৮ মে ২০২৬
‘বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে নেদারল্যান্ড’
  • ০৮ মে ২০২৬
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে বড় নিয়োগ, পদ ১৯৭, আবেদন শেষ …
  • ০৮ মে ২০২৬
৫ যমজ সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় দম্পতি
  • ০৮ মে ২০২৬
শনিবার টানা ৮ ঘন্টা  বিদ্যুৎ থাকবে না এক জেলায়
  • ০৮ মে ২০২৬
স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ নেবে ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার, আ…
  • ০৮ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9