জবিতে বিভাগীয় শিক্ষকদের কোন্দল মিটাতে মামলার নির্দেশ ভিসির

১৩ মার্চ ২০২১, ০৩:০৬ PM
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ফটো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষকদের বিভাগীয় কোন্দল মিটাতে আইনগত ব্যবস্থা (মামলা) করার নির্দেশ দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মীজানুর রহমান।

চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক ও পক্ষপাতদুষ্ট, আর্থিক ক্ষতিসাসন ও জুলুমবঞ্চনামূলক অভিযোগ পত্র উপাচার্য বরাবর প্রদান করলে তিনি এই নির্দেশ দেন৷

অভিযোগ পত্র থেকে জানা যায়, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বর্তমান চেয়ারম্যান কর্তৃক বৈষম্যমূলক ও পক্ষপাতদুষ্ট, আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়েছেন যার ফলে তার চাকরি ও শিক্ষক অস্তিত্ব বিপন্ন হচ্ছে। চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর তাকে কোনো পরীক্ষার হলে কক্ষ-প্রত্যবেক্ষন রাখা হয়নি এবং বিভাগের পরীক্ষা কমিটিতেও তাকে কোনো সদস্য বা সভাপতি পদে রাখা হয়নি যা তিনি বিগত কয়েক বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিভাগের এমএ (ইভিনিং) প্রোগ্রামের কোনো ব্যাচের কোর্সে বা পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল দ্বায়িত্ব থেকে তাকে বিরত রাখা হয়েছে এবং তিনি যেন ভবিষ্যতে এ সকল দায়িত্বে অধীন না হতে পারেন সে জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান লিখিত ও মৌখিকভাবে নিষিদ্ধ করেন।

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম অন্য এক অভিযোগ পত্রে বলেন, আমার বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদ হতে অব্যাহতি গ্রহণের পরেরদিন হতে অদ্যাবধি বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ নুরুল আমিন ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং চেয়ারম্যানশীপকে পৈতৃক সম্পদজ্ঞান করে আমাকে কোনো পরীক্ষার কক্ষ প্রত্যবেক্ষক করেননি। এমনকি অন্য কোনো পরীক্ষাতে যাতে আমাকে দ্বায়িত্ব না দেওয়া হয় তার জন্য মৌখিক ও লিখিতভাবে নিষেধ করেছেন।

শিক্ষকদের যেখানে ৩২ থেকে ৩৯টি পরীক্ষায় কক্ষ-প্রত্যবেক্ষক ডিউটি প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেখানে তাকে কোনো পরীক্ষায় এই সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় তিনি ব্যক্তিগত ও আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, বিভাগের সমন্বয়ক হিসেবে আমি আমার দ্বায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরীক্ষা কমিটি ও কক্ষ-প্রত্যবেক্ষক দ্বায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এছাড়াও নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষায় উপস্থিত না থাকা এবং প্রশ্ন মডারেটর কর্তৃক প্রদত্ত নিয়মের বাইরে প্রশ্ন করায় তাকে লিখিতভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, আমাকে অভিযোগ বা অভিযোগ পত্রের বিষয়ে অবগত করা হয়নি। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

রুশ তেল কিনবে না ভারত, পণ্যে ১৮ শতাংশ শুল্কের সিদ্ধান্ত ট্র…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এপস্টাইনের সেই কুখ্যাত দ্বীপে কপারফিল্ড: যৌন শিকার তালিকা ঘ…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে জামায়াত আমিরের জনসভা মঙ্গলবার
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শুনলেন তরুণদের প্রত্যাশা-স্বপ্নের কথা, গুরুত্ব দিলেন নারীদে…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শবে বরাত উপলক্ষে বন্ধ থাকবে জামায়াত প্রার্থীর মাইকিং
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬