মুছে গেছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নামফলক, উদাসীন কর্তৃপক্ষ!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য এবং মুছে যাওয়া নামফলক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য এবং মুছে যাওয়া নামফলক © টিডিসি ফটো

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের নামফলকের লেখা মুছে গেলেও কর্তৃপক্ষের সেদিকে ভ্রক্ষেপ নেই। প্রকৌশল দপ্তর ও এস্টেট শাখা উভয়ই বিষয়টিকে ‘নিজেদের কাজ না’ বলে এড়িয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হলেও নাম ফলকের বিষয়ে উদাসীনতায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যটি অবস্থিত। ভাস্কর্যের নামফলক থাকলেও সেখানে নাম মুছে গেছে দীর্ঘদিন ধরে। এ বিষয়ে প্রকৌশল দপ্তর ও এস্টেট শাখাকে অবহিত করলে উভয়ই একে অপরের কাজ বলে এড়িয়ে যায়।

২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আলী আশরাফ এ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেন। ভাস্কর মৃণাল হক ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন। ভাস্কর্য তৈরি হওয়ার পর মাপ এবং গঠন ঠিক না থাকায় সেটি পুনরায় স্থাপন করা হয়।

এ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে বেশ কয়েকবার আন্দোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। নামফলক নিয়ে উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

লোক প্রশাসন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আতিকুজ্জামাল তানজীল বলেন, ‘বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় রঙিন সাজে সজ্জিত হয়েছিল। কিন্তু যেই মহান ব্যক্তি এই বিজয় আনতে সবোর্চ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের নামটা যে মুছে গেছে তা আমাদের কতৃপক্ষের চোখে পড়েনি।’

তিনি বলেন, ‘এটা আসলেই দুঃখজনক আমাদের জন্য।। বিশ্ববিদ্যালয়ে এতগুলো প্রগতিশীল সংগঠন থাকা সত্ত্বেও নাম মুছে যাওয়ার বিষয়টিতে উদাসীনতা দুঃখজনক।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ দুঃখ প্রকাশ করে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘প্রশাসনের ব্যাক্তিদের উদাসীনতার কারণেই আজ বিজয়ের মাসে জাতির জনকের ভাস্কর্যের নামফলকের নাম মুছে গেলেও সেদিকে ভ্রক্ষেপ নেই। বিষয়টি দুঃখজনক। আশা করি সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি দেখবে।’

নামফলকের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) এস. এম. শহিদুল হাসান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এখানে প্রকৌশল দপ্তরের তেমন কাজ নাই। এটা অতি সামান্য কাজ। এস্টেট দপ্তর এ কাজ করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহেরের কাছে জানতে চাইলে তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘প্রশাসন এ ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। আমরা অতি দ্রতই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব। এটা মূলত এস্টেট শাখা থেকে চাহিদা দিলে প্রকৌশল দপ্তর কাজ করবে।’

এ বিষয়ে এস্টেট শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ মিজানুর রহমান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সংস্কার করা তো আমাদের কাজ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের দেখাশুনা করা আমাদের কাজ। চাহিদা দিতে হয় কিনা সে বিষয়ে কথা বলবো। যদি আমরা চাহিদা দিলে কাজ হয় তবে আজই(১৭ ডিসেম্বর) চাহিদা দিব।’

ঈদযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হাসনাত আবদুল্লাহ
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ভোলার ইলিশা ঘাটে চরম পরিবহন সংকট, ভাড়া গুণতে হচ্ছে ৫-৬ গুণ
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ভোলায় সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের, আহত ৫
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাড়তি ভাড়ায় ভোগান্তি যাত্রীদের
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ঈদের আনন্দ এবং আমাদের আর্থসামাজিক বাস্তবতা
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence