ঢাবি অধ্যাপক এ বি এম শাহাদাতের সঙ্গে আমার কোনো ‘বৈবাহিক সম্পর্ক নেই’, সংবাদের প্রতিবাদ সাবেক ছাত্রীর

০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ PM , আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১২ PM
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ © টিডিসি সম্পাদিত

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তৃতীয় স্ত্রীর মামলা’ র্শীষক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রভাষক আনিকা তাহসিন বিভা। আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন প্রতিবাদ জানানো হয়। 

প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, আমি আনিকা তাহসিন বিভা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছি। আজ ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি সংবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ বি এম শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি পারিবারিক মামলার বিবরণে আমার নামের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ‘তাছিন বিভা’ নাম উল্লেখ করে তার সঙ্গে বিবাহের দাবি করা হয়েছে। উক্ত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার অবস্থান স্পষ্ট করতে চাই।

‘আমি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি যে, অধ্যাপক ড. এ বি এম শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে আমার কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এবং অতীতেও কখনো ছিল না। আমাকে তার স্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করার দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও আমার জন্য অত্যন্ত মানহানিকর। অধ্যাপক ড. এ বি এম শাহাদাত হোসেন আমার স্নাতকোত্তর থিসিসের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। ২০২৪ সালের জুন মাসে আমার থিসিস ডিফেন্স সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমি উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি। চাকরিতে যোগদানের পরও তার সঙ্গে আমার গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালে তার সঙ্গে যৌথভাবে আমার দুটি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া আমি দীর্ঘদিন ধরে তার পরিচালিত Center for Mathematics Development Alternative (CMDA)-এর গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।’

‘তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক সম্পূর্ণ একাডেমিক, গবেষণামূলক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। একজন শিক্ষার্থী ও গবেষক হিসেবে আমার সাবেক তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই ব্যক্তিগত বা বৈবাহিক সম্পর্কের প্রমাণ হতে পারে না।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের জুন মাসে একাধিক বেনামি ইমেইলের মাধ্যমে আমাকে অধ্যাপক শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। এতে আমাকে ধর্ষণ, গুরুতর শারীরিক নির্যাতন এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এসব ইমেইলের প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আমাকে অধ্যাপক শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে জড়িয়ে মিথ্যা বিবাহের দাবি প্রচার করা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে একই ধরনের দাবি উল্লেখিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত বিব্রত, মর্মাহত এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। অধ্যাপক শাহাদাত হোসেনের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সেই বিরোধের সত্যতা বা আইনগত বিষয় নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে সেই বিরোধের মধ্যে আমার নাম জড়িয়ে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বৈবাহিক সম্পর্কের দাবি প্রচারের আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ লিপিতে আরও বলা হয়, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। আমার ব্যক্তিগত সম্মান, সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো মিথ্যা তথ্য প্রচার বা পুনঃপ্রচার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ, আমার বক্তব্য যাচাই করে সংবাদে উল্লিখিত আমার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্যটি সংশোধন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিভাগের শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে আমার এই স্পষ্টীকরণটি বিবেচনায় নেবেন। আমি আবারও দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছি, অধ্যাপক ড. এ বি এম শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে আমার কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক সম্পূর্ণ শিক্ষাগত ও গবেষণামূলক।

সংবিধান সংশোধন কমিটির নামের প্রহসন মানি না: ছাত্রশক্তি
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
পুনর্নিরীক্ষণের ফলের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীরা ঢাবিতে আবেদ…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী না থাকা আরপিওর লঙ্ঘন: টিআই…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাবি অধ্যাপক এ বি এম শাহাদাতের সঙ্গে আমার কোনো ‘বৈবাহিক সম্…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ইসরায়েলকে দেওয়া ৪ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সহায়তা বন্ধের ঘোষণা…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950