গোবিপ্রবিতে ফিস্টের খাবার নিয়ে সংঘর্ষ, বৈষম্যবিরোধী নেতাকে মারধরের অভিযোগ

০৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৯ AM
গোবিপ্রবিতে ফিস্টের খাবার নিয়ে সংঘর্ষ

গোবিপ্রবিতে ফিস্টের খাবার নিয়ে সংঘর্ষ © টিডিসি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) স্বাধীনতা দিবস হলে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ফিস্টের খাবারের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গোবিপ্রবি শাখার সাবেক সদস্য সচিব ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমানের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলার অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্বাধীনতা দিবস হলের অফিস কক্ষের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন হলে পরিবেশিত ফিস্টের খাবারের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ তিতুমীর হলের একদল শিক্ষার্থী প্রশাসনিক ভবন ঘেরাওয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। আন্দোলনে স্বাধীনতা দিবস হলের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে তারা সেখানে গেলে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হাবিবুর রহমানের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাধীনতা দিবস হলের প্রভোস্টের কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে সরে যান।

হামলার বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গোবিপ্রবি শাখার সাবেক সদস্য সচিব ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, আমি একজনের জন্য একটি খাবারের প্যাকেট নিতে নিচে নামি। তখন তিতুমীর হল থেকে কিছু শিক্ষার্থী স্বাধীনতা দিবস হলের গেটের সামনে এসে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি বলি, এই হলে এমন কেউ নেই। এরপর কয়েকজনের সঙ্গে আমার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আরও কিছু শিক্ষার্থী হলের অফিস কক্ষের সামনে আমার ওপর হামলা করে। হামলাকারীদের মধ্যে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ শিপলুসহ আরও অনেকে ছিল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া মাহমুদ শিপলু বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে, আমি এর সঙ্গে জড়িত নই। বরং আমি সবাইকে থামানোর চেষ্টা করছিলাম। ভিডিওতেও দেখা যাবে, আমি হামলা করিনি; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।

স্বাধীনতা দিবস হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান বলেন, হাতাহাতির সময় আমি ও আমার অফিস সহকারী নামাজে ছিলাম। পরে ফিরে এসে শুনেছি কিছুটা হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম আহসান বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমানের ওপর হামলার বিষয়টি আমি জেনেছি এবং তার সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামীকাল তিনি প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দেবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জবিতে কর্মসূচি পালন করবে না ছাত্রদল, থাকবে ‘শান্তিপূর্ণ অবস…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে ইরানের চুক্তি
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬তম গ্রেডে চাকরি, আবেদন ৩০ আগস্ট পর্যন…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীতে ব্রিজের নিচে মিলল নারীর মাথা ও দুই হাত
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
আলভারেজকে দলে পেতে ‘ট্রাম্পকার্ড’ ছাড়ল বার্সেলোনা
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
ভারতীয় তরুণীকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে জামালপুরের কলেজ শিক্ষ…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬