উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে টালমাটাল ৩ বিশ্ববিদ্যালয়, সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ AM , আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ PM
 চুয়েট, সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সিকৃবি লোগো

চুয়েট, সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সিকৃবি লোগো © সংগৃহীত

দেশের তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগ না দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। আর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একাংশ আন্দোলন করছেন।

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনে ভিন্ন ভিন্ন দাবি থাকলেও এতে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চুয়েটে নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদে টানা আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করতে হবে এবং ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতিও কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

চুয়েটে গতকাল রবিবার কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চুয়েটের উপাচার্য ভবনের সামনে যৌথ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। কর্মসূচিতে শিক্ষক প্রতিনিধি সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মাসরুর আহম্মদ বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা ধারণ করা। এখানে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নেই। একটা অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আমরা মানসিকভাবে চাপে আছি, শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে যাচ্ছে। সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমরা একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছি না। সরকারের কাছে আকুল আবেদন, বর্তমান সরকারের মিশন ও ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের এ চলমান সমস্যার সমাধান করা এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ক্ষতি রক্ষা করা।’

চুয়েটে কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

চুয়েট কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক সায়েম স্যারকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করতে হবে। সম্মানিত শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত ড. সায়েম স্যারকে পুনর্বহাল করা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের কর্মবিরতি চালিয়ে যাব।’

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন। তাঁর নিয়োগের পর থেকেই সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগ না দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। আর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একাংশ আন্দোলন করছেন। তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনে ভিন্ন ভিন্ন দাবি থাকলেও এতে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানের নিয়োগ নিয়ে আন্দোলনে রয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের এই অধ্যাপককে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরদিন রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বারিধারা ডিওএইচএসের অস্থায়ী কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা সিন্ডিকেটকে তারা মেনে নেবেন না। তাদের দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঞ্চনা থেকে মুক্তির দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তারা মেনে নেবেন না।

শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের বক্তব্য প্রত্যাহার, আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে অ্যাকাডেমিক মাইগ্রেশন সম্পন্ন, আটকে থাকা পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ ও ফলাফল দেওয়া এবং নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য আট সেমিস্টার পদ্ধতি চালুর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা সিন্ডিকেটের প্রভাবমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন।

এদিকে, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একটি অংশ। ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পাঁচ শিক্ষকসহ এগার শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

ঢাবি শিক্ষককে উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, কেনাকাটা, উন্নয়নকাজ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে। তাদের দাবি, আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ না করা প্রার্থীদেরও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মেধাবী গ্র্যাজুয়েটদের বঞ্চিত করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তারা। সাম্প্রতিক আটজন শিক্ষক নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি তাদের।

কেনাকাটার ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্র কেনার ক্ষেত্রে কয়েকটি ঘটনায় সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। নিম্নমানের স্মার্টবোর্ড ও অন্যান্য সামগ্রী কেনা, উচ্চ দরদাতাকে কার্যাদেশ দেওয়া এবং এতে অর্থ অপচয়ের অভিযোগও করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য বলেছেন, মানসম্মত ব্র্যান্ডের ফার্নিচার কেনা হয়েছে এবং যেসব ব্যয়ের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর কিছু তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার আগের সময়ের।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগের তালিকায় রয়েছে শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া, আবাসিক হলে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট নিরসনে ব্যর্থতা, ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং পরিবহন ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতি ও কারিকুলাম উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত বার্ষিক প্রীতিভোজের আয়োজন না করা, প্রয়োজনীয় একাডেমিক অবকাঠামো উন্নয়নের বদলে অপ্রয়োজনীয় খাতে অর্থ ব্যয়, বিভিন্ন স্থাপনা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় এবং কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ অপচয়ের অভিযোগও আন্দোলনকারীদের তালিকায় রয়েছে।

নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য চান সিকৃবির শিক্ষকরা

শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অভিযোগ, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের কারণে-অকারণে শোকজ, হয়রানি, পদোন্নতি আটকে রাখা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সিনিয়র শিক্ষকদের সাময়িক বরখাস্তের মতো ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা ও ইউজিসির নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগও করেছেন তারা। এসব অভিযোগের পাশাপাশি উপাচার্যের আগের কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের সময়কার কিছু অনিয়মের অভিযোগও আন্দোলনকারীরা তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই হয়নি এবং উপাচার্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আরও খবর: শিক্ষকদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সভাপতি ও ইউট্যাবের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। আমাদের ৬ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মকর্তা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমরা ক্লাস-পরীক্ষা কার্যক্রম সচল রেখেছি। বর্তমান উপাচার্য আর্থিক ও শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। আমাদের ক্যাম্পাসের বয়স ২০ বছর হয়েছে। শিক্ষক হওয়ার মতো আমাদের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি, এই উপাচার্যকে অপসারণ করে নিজ ক্যাম্পাস থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হোক। আমাদের অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক রয়েছেন। বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলে তাদের মধ্যে কোনো জবাবদিহিতা থাকে না। তারা আসেন, চার বছর যাকে তাকে দায়িত্ব দিয়ে কাজ করান; চলে যান। নিজ ক্যাম্পাস থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলে সেটা থাকে, তাদের একটা জবাবদিহিতা থাকে।’

তবে সিকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তুলছে। তাঁর দাবি, যেসব শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা যোগ্য প্রার্থী ছিলেন। পদত্যাগের বিষয়েও তিনি বলেছেন, কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা তাঁদের প্রশাসনিক দায়িত্বের মেয়াদ শেষে পদত্যাগ করেছেন।

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের কারণ আলাদা হলেও চুয়েট ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মূল বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু উপাচার্য নিয়োগ, আর সিকৃবিতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ ও তাঁর অপসারণের দাবি। চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন প্রশাসন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছে এবং সিকৃবিতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে শাটডাউন ও অবস্থান কর্মসূচির প্রভাব পড়েছে। ফলে উপাচার্যকেন্দ্রিক এসব আন্দোলনে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জাবির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সরকারি আদেশের পরিপন্থী: আইডিইবি
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে কম অল্প বয়সে আকস্মিক মৃত্যুর প্রধান পাঁচটি কারণ কী
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ পরিণত হলো নিম্নচাপে, চার বন্দরকে সতর্ক স…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দায়িত্ব পালনকালে বুকে ব্যথা, হাসপাতালে এএসআইয়ের মৃত্যু
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬