জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধক ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজুওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সম্মেলনের বক্তা গোলাম রাব্বানী যথাসময়ে উপস্থীত হতে না পারায় তাদের জন্য অপেক্ষা করলেন সম্মেলনের প্রধান অতিথি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
এ বিষয়ে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল টিটন জানান, সাধারণ সম্পাদকের মায়ের মৃত্যুবার্ষিকিতে সভাপতিও গিয়েছিলেন। তাদের সেখান থেকে ফিরতে দেরি হয়েছে। সেজন্য আসতে হয়তো একটু দেরি হচ্ছে।
সম্মেলন সকাল ১১ টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজুওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। আওয়ামীলীগের একজন সিনিয়র নেতাকে এভাবে বসিয়ে রাখায়, অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের বেশ কয়েকজন নেতা। তারা জানান, পুরাণ ঢাকার রাস্তায় সর্বদা যানজট থাকে। এই যানজট পার হয়ে জগন্নাথে আসতেও সময় লাগে। এই প্রোগ্রামকে সামনে রেখে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকে আরো আগে আসা উচিত ছিল বলে মনে করেন তারা।
এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সম্মেলন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু । বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কাযনির্বাহী সদস্য এ্যাড. কাজী নজীবুল্লাহ হিরু, নারায়নগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু সহ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা ।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ সম্মেলনের পর ১৭ অক্টোবর জবি শাখা ছাত্রলীগের ৩৯ সদস্যের কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এতে তরিকুল ইসলামকে সভাপতি ও শেখ জয়নাল আবেদীন রাসেলকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিটির মেয়াদ ছিল এক বছর। কিন্তু শীর্ষ দুই নেতার পক্ষের লোকজনের মধ্যে কয়েক দফা মারামারি ও সংঘর্ষের পর কমিটি ঘোষণার চার মাসের মাথায় ১৯ ফেব্রুয়ারি কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটি বিলুপ্তির প্রায় ৬ মাস পরে সম্মেলন হচ্ছে ।