ট্রান্সক্রিপ্ট-সার্টিফিকেটে ‘সোহরাওয়ার্দী’ বানান বিভ্রাটে কলেজের শিক্ষার্থীরা

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের লোগো

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেটে কলেজের নামের বানানে অসামঞ্জস্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন ডকুমেন্টে একই প্রতিষ্ঠানের নাম ভিন্ন ভিন্নভাবে লেখা হওয়ায় ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা, বিশেষ করে বিদেশে ভর্তি ও ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোথাও কলেজের নাম ‘Sohrawardi’, কোথাও ‘Suhrawardi’, আবার কোথাও ‘Suhrawardy’ লেখা হচ্ছে। একইভাবে ‘Shahid’ ও ‘Shaheed’ বানানেও দেখা যাচ্ছে ভিন্নতা। ফলে অফিসিয়াল কাগজপত্রে প্রতিষ্ঠানের নামের একীভূত বানান না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, উচ্চ মাধ্যমিকের পর যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এসব বানান বিভ্রাট ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদন প্রক্রিয়ায় নথিপত্রের তথ্যগত সামঞ্জস্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি ভবিষ্যতে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অর্থনীতি বিভাগের ২০২২–২৩ সেশনের শিক্ষার্থী মো. নাইমুর রহমান বলেন, অনলাইন ফর্ম পূরণ করার সময়ও শিক্ষার্থীরা দ্বিধায় পড়ে যায় কোন বানানটি ব্যবহার করবে। ভুল বানান দিলে পরে তা সংশোধন করতে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হয়। অনেক ক্ষেত্রে আবার হলফনামা (affidavit) পর্যন্ত করতে হয়, যা আরও ঝামেলার সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কি তিন মাস এগিয়ে আসবে?

নাইমুর বলেন, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেটে একই কলেজের নাম ভিন্ন ভিন্ন বানানে লেখা থাকা আমাদের জন্য সত্যিই উদ্বেগের বিষয়। অনেক শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করে। সেক্ষেত্রে ডকুমেন্টে এমন অসামঞ্জস্য ভেরিফিকেশনের সময় জটিলতা তৈরি করতে পারে। আমরা চাই, কলেজ প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও স্ট্যান্ডার্ডাইজড বানান নিশ্চিত করুক, যাতে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হয়।

এ বিষয়ে সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলি মুখোপাধ্যায় দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমাদের কলেজের ওয়েবসাইটে যেই নামটি দেওয়া আছে এটি সঠিক। বাকি সবগুলো ভুল আর আমি ভুল এই কারনেই বলবো এই নামটি (GOVT. SHAHEED SUHRAWARDY COLLEGE) বিভিন্ন নথিপত্রেও আছে এবং রেজিস্টার করা। 

তিনি আরও বলেন, কেউ এখনো এসে রিপোর্ট করেনি বিষয়টি নিয়ে যদিও আমি আজকে একটি চিঠি বোর্ডে পাঠাবো যেন আমাদের কলেজের নামটা সংশোধন করে দেয়। 

সংশোধন করতে কত সময় লাগতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এটা বোর্ড জানে তবে আমাদের বোর্ডে প্রতিমাসে এক থেকে দুইবার মিটিং হয় তখন মিটিংয়ে নামের সংশোধনের বিষয়টি উঠলে ১-২ মাস লাগতে পারে।

ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় ১৪৪ ধারার ‘মাইকিং’, ছাত্রদল নেতাক…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ৫০০ শয্যার, ১৫ তলা ভবন নির্মাণ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির ফজলুল হক হলের ভিপি, সমাজসেবা সম্পাদক ও ভুক্তভোগী শিক্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্ত…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬