উপগ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের সিনিয়র এককর্মীকে মারধর করেছে জুনিয়র কর্মীরা। শুক্রবার (২৮ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলে এ ঘটনা ঘটে। এতে নূর আলম নামের এক সিনিয়র ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) সাদ্দাম হোসেন হলে দক্ষিণ ব্লকে একটি ফিস্টের (খাবারের) আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহন করে ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মী নাইমের অনুসারী হাফিজ, রাব্বি, অপূর্ব, বুলবুল। বিষয়টি জানতে পেয়ে সিনিয়রদের ভায়োলেটের অভিযোগ এনে শুক্রবার (আজ) বিকেলে হলের গেস্টরুমে ডেকে পাঠায় নূর আলম।
কিন্তু তারা সেখানে দেরিতে হাফিজের সঙ্গে আসায় নূর তাকে (হাফিজকে) সেখান থেকে চলে যেতে বলে। এসময় সালমান সাকিব নামের আরেক জুনিয়র কর্মীও তাকে পুনরায় চলে যেতে বলে। বারবার বিষয়টি বলার পরও হাফিজ সেখানে দাঁড়িয়ে থাকায় তাকে হুমকি দেয় নূর আলম। একপর্যায়ে তাকে আঘাত করে সাকিব।
এরপর রাব্বিসহ অন্যান্য জুনিয়র কর্মীরা সেখানে বাধা দিলে নূর আলম ও সালমান সাকিব মিলে রাব্বিকে মারধর করে। এরপর সেখান থেকে রুমে ফিরে যায় জুনিয়র কর্মী। পরে বিকাল ৬টার দিকে নূর আলম সাদ্দাম হোসেন হলের ফুটবল মাঠে গেলে তাকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটায় জুনিয়র কর্মীরা। এক পর্যয়ে তারা চলে গেলে অন্যান্য কর্মীরা এসে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভূগী নূর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে অন্যায়ভাবে মারধর করা হয়েছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টার কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের (স্থগিতকৃত কমিটির) সভাপতি শাহিনুর রহমান বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আপাতত ছাত্রলীগের কোন কার্যক্রম নেই। এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্যও নাই।’