জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি সম্পাদিত
তৃতীয় দফায় ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদন করার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আবেদন ফি বাবদ ১,০০০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা সরাসরি কলেজে জমা দিতে হবে। ফি জমাদানের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এছাড়া কলেজ কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীদের প্রাথমিক আবেদন ফরম অনলাইনে নিশ্চয়ন করার সর্বশেষ সময় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আবেদনকারীদের জমাকৃত ফি’র মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ হিসেবে প্রতি আবেদনকারী থেকে ৭০০ টাকা নির্ধারিত খাতে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় জমা দিতে হবে। এ অর্থ জমাদানের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্র তালিকা পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি সংক্রান্ত শর্ত ও নির্দেশনা জানতে আবেদনকারীদের ওয়েবসাইটের Honours Admission Guideline লিংকে প্রবেশ করতে হবে। পাশাপাশি পূর্বে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির সকল শর্ত ও নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
এর আগে, প্রথম ধাপে গত বছরের ২৩ নভেম্বর বিকেল ৪টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত চলে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে এই সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের তৃতীয় ধাপে আবেদনের সময় বাড়িয়ে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হলো।
প্রসঙ্গত, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় ১০০টি প্রশ্নের উত্তর ১ ঘণ্টার মধ্যে দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয়সহ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ৬০ শতাংশ হিসাবে ১০০ নম্বর ও এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরসহ সর্বমোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে বিষয় পছন্দক্রম অনুসারে বিষয়ভিত্তিক মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কর্তন করা হবে না।