বললেন আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার

‘প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও অর্থ কমিটিতে সাত কলেজের প্রতিনিধি নেই, বিষয়টি অদ্ভুত না উদ্ভট?’

২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০০ AM , আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০১ AM
ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের প্রথম সমন্বয়ক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার

ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের প্রথম সমন্বয়ক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের প্রথম সমন্বয়ক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেছেন, ‘অনেক নাটক, ষড়যন্ত্র, আন্দোলন আর সংগ্রামের পর মূলত ঢাকার সরকারি ৭ (সাত) কলেজকে কেন্দ্র করেই প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ চূড়ান্ত পর্যায়ে।  যতদূর জেনেছি, সাত কলেজকে কেন্দ্র করেই এই বিশ্ববিদ্যালয় হলেও প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে ও অর্থ কমিটিতে ৭ (সাত) কলেজের কোনো প্রতিনিধি নেই। বিষয়টি অদ্ভুত না উদ্ভট?’

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেছেন সেলিম উল্লাহ খোন্দকার। তিনি লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি শতবর্ষী ও দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে ঢাকা কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদাধিকারবলে সিন্ডিকেট সদস্য। ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে আমি নিজেও সিন্ডিকেট সদস্য ছিলাম।’ 

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনেক রথী-মহারথীর সাথে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ সদস্য হিসেবে কাজ করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাঠে কাজ করবেন, অথচ নিয়ন্ত্রণে ন্যূনতম অংশগ্রহণ নেই, আবার জবাবদিহি করতে হবে কলেজকেই। বাহির হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যাররা আসবেন- শিক্ষক আর কর্মচারি নিয়োগ, বোর্ডের মতো ভর্তি আর পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো জবাবদিহিতা থাকবে না, কলেজগুলোর অ্যাকাডেমিকসহ অবকাঠামো উন্নয়নে কোনো ভূমিকা থাকবে না, মানে আরেকটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দরকার আছে কি? নাকি ৭ কলেজকে আবারো ব্যর্থ করার প্রচেষ্টা? ৭ (সাত) কলেজের একাডেমিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে আরো সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নিয়ন্ত্রণে অধ্যক্ষদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জবাবদিহিতার আওতায় আনার বিষয়টি চিন্তা জরুরি।’

আরও পড়ুন: পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজন ৮০ হাজার কোটি টাকা, বরাদ্দ আছে কত?

সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘সিন্ডিকেটে সব অধ্যক্ষকে পদাধিকারবলে সদস্য, অর্থ কমিটিতে যথাযথ প্রতিনিধিত্ব রাখতে হবে। আর্মির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় তারাই উপাচার্যসহ সব প্রশাসনিক পদে নিয়োগ পান এবং ভালোই চলছে। তাহলে প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সব পদে শিক্ষা ক্যাডারে নয় কেন? ১১০টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ৫৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যাররা আছেন।’ 

তিনি বলেন, ‘পীরক্ষামূলকভাবে হলেও  অন্তত একটি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি কলেজের শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণে দেওয়া হোক। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিনসহ সব পদ সরকারি কলেজের শিক্ষকদের মধ্য হতে নিয়োগের প্রভিশন অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করছি। আশা করছি, শিক্ষা ক্যাডার এসোসিয়েশন এ ব্যাপারে যথাযথ ভূমিকা রাখবে। তবে অধ্যাদেশ নিয়ে কালক্ষেপণ কাম্য নয়। সবার জন্য শুভকামনা।’

ময়মনসিংহে কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় জরিমানা
  • ১১ জুলাই ২০২৬
কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি প্রায়…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
ঢামেকে পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি বেশি, আমরা শেখার সুযোগ পাই না…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
এইচএসসির আইসিটি ও মাদ্রাসার ইংরেজি পরীক্ষায় কতজন বহিষ্কার হ…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
অখণ্ড পাকিস্তান চেয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দ…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
চাকরি হারিয়ে কৃষিতে স্বপ্ন, টানা বৃষ্টিতে ভেসে গেল ফাহাদের…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence