ইবিতে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

২৯ জুন ২০২৫, ০৩:০৩ PM , আপডেট: ২৯ জুন ২০২৫, ০৪:২৬ PM
আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি © টিডিসি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার (২৯ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ও কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ফোরামের সভাপতি আব্দুল মঈদ বাবুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম। 

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ইউট্যাব ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, ইবি জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী প্রমুখ।

সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধুমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধই নয় বরং তিনি ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের একজন নির্ভীক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে পুরস্কৃত হয়েছেন। যদি বাংলাদেশ স্বাধীন না হতো তাহলে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অপরাধে তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হতো। সব জেনে বুঝেও তিনি দেশের জন্য কাজ করে গেছেন। ১৯৭৫ সালের পর তিনি নিজে থেকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসেননি, বিপ্লবী সিপাহী জনতাই গ্রেফতারকৃত জিয়াউর রহমানকে কারামুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন। রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসে তিনি গণতন্ত্রের চর্চা শুরু করেছিলেন যা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। 

উপ-উপাচার্য ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্থাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত একজন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আমি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনার ৪ মাস পরেই একটা জনসভায় তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে একটি আন্তর্জাতিক মানের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে, তিনি তার কথা রেখেছেন। তার কর্মসূচি যদি চলমান থাকতো তাহলে আজকে বাংলাদেশে কোন নিরক্ষর ব্যক্তি থাকতো না। যারা দেশকে ভালোবেসে কাজ করে তারা মুখ আওড়ায় না। আর যাদের এই অভ্যাস নাই তারা পালায়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আজ বেচে থাকলে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে এদেশ জাপান, সিঙ্গাপুর, আমেরিকায় পরিণত হয়ে যেত। 

উপাচার্য ড. নকীব নসরুল্লাহ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন একজন ব্যক্তিত্ব, তিনি বাংলাদেশের মানুষকে স্বল্প সময়ে এমন একটি পথনির্দেশিকা দেখিয়ে গিয়েছেন, একটি রাষ্ট্র গড়ার দর্শন দেখিয়ে গিয়েছেন, সেজন্য তিনি অনন্তকাল ধরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে গণতান্ত্রিক আদর্শ চর্চার মাইলফলক হিসেবে বেঁচে থাকবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে রিপাবলিক করার জন্য চেষ্টা করেছেন। আপনার আমার চাওয়া পাওয়া নিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হয় আর আমাদের চাওয়া পাওয়া পূরণের জন্যই রাষ্ট্রের শাসক প্রয়োজন। রাষ্ট্রের শাসক যদি জনগণের চাওয়া পাওয়ার জন্য কাজ না করে দলীয় স্বার্থের জন্য, নিজেদের স্বার্থে কাজ করে তাহলে সেই রাষ্ট্রযন্ত্র আর কাজ করে না। এজন্যই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বলেছেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন বাস্তবায়ন করলে এই বাংলাদেশ হবে ঐক্য, মৈত্রী, সম্প্রীতির বাংলাদেশ।

সুন্দরবনে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর ২৭ …
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে: প্রধানমন্ত্রী
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
দুই বছরে ১৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে আসাম
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
সংসদে শিক্ষামন্ত্রী, বললেন—‘আন্দোলন নিয়ে পরে কথা বলব’
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence