নোবিপ্রবিতে দক্ষতা ভিত্তিক পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নে সৃজনশীল শিক্ষার ভূমিকা বিষয়ক সেমিনার © টিডিসি ফটো
বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষার্থীদের এমনি একটি জায়গা সেখানে তারা জ্ঞানের চাষ করবে এবং সমাজের উন্নয়নে কাজ করবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো লার্নার সেন্ট্রিক নয়। এগুলোকে লার্নার সেন্ট্রিক করতে হবে বলে মন্তব্য করছেন ইস্ট স্ট্রসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, পেনিসেলভিনিয়া, ইউএসএ-এর সহযোগী অধ্যাপক ড. নুরুন বেগম।
তিনি বলেন, আমাদের এমন ক্রিটিক্যাল থিংকিং থাকা উচিৎ যাতে করে আমরা অন্যদেরকে সম্মান করতে পারি।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দক্ষতা ভিত্তিক পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নে সৃজনশীল শিক্ষার ভূমিকা বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন দুপুর ১২ টায় বিশ্বদ্যিালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদারুল আলম এ সেমিনারের উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: বহিস্কার হয়েও পরীক্ষা দিলেন চবি ছাত্রলীগ কর্মী
শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুরের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল বাকী। এ ছাড়া ও সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক বিপ্লব মল্লিক, শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক জি এম রাকিবুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মোঃ শামসুল আরেফীন, সহকারী অধ্যাপক নাজমুন্নাহার চৈতী, সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মো. সিয়াম, সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা বেগম পপি এবং শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম বলেন, শিক্ষা বিষয়টি বর্তমানে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। কারিকুলাম তৈরিতে ও উন্নয়নে এই বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উন্নত বিশ্বে এই বিভাগের প্রচুর চাহিদা। উন্নত বিশ্বে ব্যবহারিক শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়, অন্যদিকে আমাদের দেশে পুঁথিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়। শিক্ষা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা এর উন্নয়নে কাজ করছে।