দলীয় অন্তঃকোন্দলে দুই দিন উত্তপ্ত ছিল ইডেন কলেজ ক্যাম্পাস। দুই পক্ষের সংঘর্ষে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ আহত হন অনেকেই। এ ঘটনায় ১২ নেত্রীসহ ১৬ নেতা-কর্মীকে স্থায়ী বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এ সিদ্ধান্তের জেরে আমরণ অনশনের দাবিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান বহিষ্কৃত নেত্রীরা।
সেখানে, আওয়ামী লাীগের পক্ষ থেকে তাদের কী বলা হয়েছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেত্রী জানান, সেখানে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাঁদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সে জন্যই তাঁরা অনশন না করে ‘শান্ত’ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরেছিলেন।ৎ
তিনি বলেন, আমরা যখন কার্যালয়ে যাই, তখন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম ও উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান সেখানে ছিলেন। পরে সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম আমাদের বলেন, তার সঙ্গে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের কথা হয়েছে, তিনি বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করবেন।
আরও পড়ুন: ইডেন কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি: অধ্যক্ষ।
তবে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সাথে তাদের সরাসরি কোনো কথা হয়নি বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সোমবার রাতে আমরা নানক ভাইয়ের (জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠতম নেতা) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তিনি আমাদের বলেছেন, তোমরা দায়িত্বপ্রাপ্ত চার নেতার কাছে লিখিত দরখাস্ত দাও, ওবায়দুল কাদের স্যারের (আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক) সঙ্গে দেখা করো, আমরা এক জায়গায় বসে তোমাদের ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলব।
এর আগে, সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে অবাঞ্ছিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেন বহিষ্কৃতরা। পরে নেত্রীরা ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনশনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।