পিএসসি’র সামনে চাকরিপ্রার্থীরা © টিডিসি ফটো
৪০তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের দাবির বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেওয়া এবং অযৌক্তিক ও অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে টানা অষ্টম দিনের মতো পিএসসি’র সামনে অবস্থান করছে নন-ক্যাডার প্রার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার (০৮ নভেম্বর) বেলা ১২ টা এবং দুপুর ২ টার সময় 'কালো চশমা' পরে 'কালো চশমা' পরে মিছিল নিয়ে পিএসসির চারপাশ প্রদক্ষিণ করেন তারা।
প্রার্থীরা জানান, দাবি আদায়ের ব্যাপারে পিএসসি’র পক্ষ থেকে মৌখিক ও লিখিত বক্তব্যের বিষয়ে আজও কোনো আশ্বাস পাননি তারা। তারা বলেন, পিএসসির মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের এ সংকটে দিনের পর দিন বধির ও মূক হয়ে থাকাটা অমানবিক।
জানা গেছে গত ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু করে আজ ০৮ নভেম্বর পর্যন্ত টানা আট (০৮) দিন পিএসসি’র সামনে লাগাতার অবস্থান ও শুক্রবার শহিদ মিনারে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদসহ টানা ৯ দিন কর্মসূচি পালন করেও পিএসসি থেকে কোনো বক্তব্য পায়নি প্রার্থীরা।
আরও পড়ুন: ফারদিনের মৃত্যু: ইস্ট ওয়েস্টের সেই বান্ধবীসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ।
তবে তারা জানিয়েছেন ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে নন-ক্যাডার নিয়োগে পূর্বের নিয়মে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল সকাল ১১ টায় আবারও পিএসসির সামনে এসে অবস্থান নিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তারা।
প্রসঙ্গত প্রার্থীদের ছয় দফা দাবি হলো, বিজ্ঞপ্তির পরে ৪০-৪৪তম বিসিএস পর্যন্ত বিজ্ঞপ্তির তারিখওয়ারি নন-ক্যাডার পদ বিভাজনের মাধ্যমে পদসংখ্যা নির্ধারণের বেকার বিরুদ্ধ ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিল, ৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারের পদ ৩৬, ৩৭ ও ৩৮তম বিসিএসকে দেওয়ার অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল, করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ইতিহাসের দীর্ঘকালীন ৪০তম বিসিএসে উত্তীর্ণ নন-ক্যাডার অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চসংখ্যক প্রার্থীকে নন-ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা, যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পিএসসি ৩৪-৩৮তম বিসিএস নন-ক্যাডার তালিকা প্রকাশ করেছে, সেই একই প্রক্রিয়ায় বর্তমানে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান, ‘যার যা প্রাপ্য, তাকে তা-ই দেওয়া হবে’—পিএসসির এমন বক্তব্যের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও বেকারত্ব সৃষ্টির অপপ্রয়াস বন্ধ করে বেকার বান্ধব নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং গত এক যুগে পিএসসি যে স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও বেকারবান্ধব প্রতিষ্ঠান ছিল, সেই ধারা অব্যাহত রাখা।
গত ২৩ আগস্ট পিএসসি থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এ-সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, বিসিএসে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের আগে যত শূন্য পদই আসুক, তা একটি বিসিএসে নিয়োগ দিয়ে শেষ করা যাবে না। কোন শূন্য পদ কোন বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় এসেছে, তা বিবেচনায় আনতে হবে।