কর্মচারী নেতার আহ্বান
পে স্কেল © টিডিসি সম্পাদিত
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘ আন্দোলনের পরও নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে গেজেট প্রকাশ করেনি অন্তর্বর্তী সরকার। শেষ মুহূর্তে এসে সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মসূচি কঠোরভাবে দমন করে সরকার।
গেল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই সরকারের কাছে পে স্কেল নিয়ে কর্মচারীদের চাহিদা ব্যাপক।
নির্বাচনের আগে অবশ্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছিলেন, যথাসময়ে পে স্কেল দেয়া হবে। ওই বক্তব্যে আশায় বুক বাধে সুবিধাভোগীরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ মাহমুদুল হাসান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এই সরকারের কাছে আমাদের আশা অনেক। আমরা চাই, নতুন সরকারের প্রথম কাজই হোক পে স্কেল বাস্তবায়ন। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হলে কর্মচারীরা খুশি হবেন এবং নতুন উদ্যোমে কাজ করার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
এর আগে গত ২১ জানুয়ারি নবম পে স্কেল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় পে কমিশন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের কমিশন এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।
এতে বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন স্কেল নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ওই সুপারিশ বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশ করার জন্য সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করেন কর্মচারীরা। এই দাবিতে টানা কর্মসূচি পালন করেন তারা। কিন্তু এসব আন্দোলন করেও সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। তাই নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে আছেন সরকারি কর্মচারীরা।