ইউসেটের আলোচনা সভা
ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তব্যে রাখছেন ড. মংসানু মারমা © টিডিসি ফটো
আজ ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির (ইউসেট) উদ্যোগে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ: নতুন প্রজন্মের উপলব্ধি ও করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার রাতে ঘন্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস এবং ইউসেটের ফেসবুক পেজ থেকে যৌথভাবে লাইভ করা হয়েছে।
ইউসেট ট্রাস্টের সদস্য সায়কা শারমীনের উপস্থপনায় ও ইউসেট ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে যুক্ত ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনস্থ মিল্টনেয়ি বায়োটেকের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিস্ট ড. মংসানু মারমা। এছাড়া অনুষ্ঠানে ইউসেটের শিক্ষক, কমকর্তারা ও শিক্ষার্থীরা সংযুক্ত ছিলেন।
আলোচকের বক্তব্যে ড. মংসানু মারমা বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শেষপ্রান্তে এসে যখন শত্রুপক্ষ নিশ্চিত করে বুঝতে পারল যে তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত, ঠিক সেই মুহুর্তে শিক্ষকসহ হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে রাতে অন্ধকারে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ড বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
তিনি আরও বলেন, মানবজাতির ইতিহাসে মানবজাতি হাজার হাজার যুদ্ধ করেছে কিন্তু মেধাবীদের ধরে ধরে নিয়ে হত্যা করা সেটি আর কোন যুদ্ধে দেখা যায়নি। শুধুমাত্র একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেই একটি জাতির বিবেক-বুদ্ধিকে খতম করে দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, একাত্তরের এইদিনে দেশ স্বাধীন হচ্ছে সেই নিয়ে আমরা খুব পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। আমি তখন গ্রামে ছিলাম, ঢাকায় আসিনি। মাত্র ৯ মাসে দেশ স্বাধীন হচ্ছে সেটাকে একটা মিরাকেল ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু কোনোভাবেই বুঝতে পারিনি এই হেরে যাওয়া শক্তিরা ইতিহাসের জগণ্য কাজ করবে। আমাদের মধ্যে যে এরকম ব্ল্যাক পিপল ছিলেন তা ভাবতেও পারিনি।
সায়কা শারমীন বলেন, একাত্তরের এইদিনে পাকিস্তানী বাহিনী ও এদেশের দোসররা একসাথে হয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশকে শতবর্ষে পিছিয়ে দেয়ার মতো ব্যবস্থা করে গেলেও বর্তমানে দেশ অদম্য শক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম থেমে থাকেনি।