পে স্কেল © টিডিসি সম্পাদিত
নবম পে স্কেলের জন্য সুপারিশ জমা দিয়েছে পে কমিশন। কিন্তু দশ দিন পেরিয়ে গেলেও সরকার পক্ষ থেকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে কোনো প্রত্যক্ষ পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ফলে কর্মচারীদের মধ্যে কাজ করছে চরম হতাশা।
সুপারিশ জমা দেয়ার পর কর্মচারীরা দাবি করেছিলেন ৩১ জানুয়ারির মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু জানুয়ারি মাসের শেষদিন পেরিয়ে গেলেও আসেনি গেজেট। আই পরিস্থিতিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন কর্মচারী নেতারা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এক সমাবেশের মাধ্যমে জানান,‘গত ৭ বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরেও সরকার কর্মচারীদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর তারিখে লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশের পর আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে, কিন্তু তা হয়নি। ২১ জানুয়ারি কমিশন রিপোর্ট প্রদানের পর অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে কমিটি গঠনের নামে কালক্ষেপণ করছেন। এছাড়া জ্বালানি উপদেষ্টা তার এক মন্তব্যে ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিল’ বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।’
কর্মসূচি ঘোষণা করে নেতারা বলেন, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে গেজেট না হলে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নিজ নিজ দপ্তরের সামনে ২ ঘণ্টা ব্যাপী অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে। এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
পে স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছেন, সরকার শেষ মুহূর্তে এসে অন্তর্বর্তী সরকার পে স্কেল ঘোষণা করতে চাইছে না। কারণ পে স্কেল ঘোষণা মানেই অনেক বাড়তি আর্থিক চাপ। তাই নতুন বেতন কাঠামো গঠনের দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের ওপরই চাপিয়ে দেয়া হবে।