২০ বছর পর জানা গেল গবি রেজিস্ট্রার এইচএসসি পাস

২০ বছর পর জানা গেল গবি রেজিস্ট্রার এইচএসসি পাস
  © ফাইল ফটো

ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন এইচএসসি পাস। তার অনার্স-মাস্টার্স পাসের সনদ ভুয়া বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সব সদস্যের সম্মতিক্রমে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গত ২০ বছর ধরে তিনি গবিতে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়ে ২০০২ সালের ৩ আগস্ট গণবিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ড তার আচার-আচরণ দেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় ট্রাস্টি বোর্ড গোপনে রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তদন্ত করতে থাকে। খোঁজখবরের এক পর্যায়ে জানতে পারেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন ইন্টার পাস। তিনি গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী ও মাস্টার্স পাসের সনদ দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নিয়েছেন।

এর আগে, রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক ছাত্রী। মোবাইল ফোনে রেজিস্ট্রার তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগে বলা হয়।এছাড়াও রেজিস্ট্রার একাধিক নারী শিক্ষককে যৌন হয়রানির করছেন বলে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ৬ নভেম্বর রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চায় ইউজিসি। গত ৭ ডিসেম্বর ইউজিসির চিঠির উত্তর পাঠায় রেজিস্ট্রার। তেব সেই চিঠিতে অভিযোগের কোনো সদুত্তর পায়নি ইউজিসি। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন। যৌন হয়রানির ওই রেকর্ড ভুক্তভোগী ছাত্রী ইউজিসিতে হস্তান্তর করেছেন।


মন্তব্য