শিক্ষার্থীদের পরিচিত পর্ব অনুষ্ঠান © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)-এর নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্প্রিং ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি পর্ব সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ও মনোরম পরিবেশে উৎসবমুখর আয়োজনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নবীন শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
পরিচিতি পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আইইউবিএটির মিশন ও ভিশন, একাডেমিক নিয়মকানুন, ক্যারিয়ার সার্ভিস, গ্রন্থাগার ও আইটি সুবিধা, শিক্ষার্থী সংগঠন ও সহশিক্ষা কার্যক্রম, পরিবহন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি বিপণন বিশেষজ্ঞ ও কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব ড. সৈয়দ আলমগীর। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন আইইউবিএটির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস,রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ মমতাজুর রহমান, প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, ব্যবসায় অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোজাফ্ফর আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং বাস্তবমুখী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও তারা শিক্ষার্থীদের সময় ব্যবস্থাপনা, সৃজনশীল সমস্যা সমাধান, দলবদ্ধ কাজের দক্ষতা এবং সমাজসেবা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব বোঝান। একই সঙ্গে তারা আইইউবিএটিকে জ্ঞান, গবেষণা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নের একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠান নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যা তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে আত্মবিশ্বাস ও উদ্দীপনা যোগ করবে। পাশাপাশি এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইইউবিএটিকে পরিবার হিসেবে অনুভব করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি মূল্যবোধ, নেতৃত্ব এবং সামাজিক দায়িত্ববোধও গড়ে তোলা হয়।