© টিডিসি ফটো
‘একজন ছাত্র একটি ল্যাপটপ’ প্রকল্পের দেড় হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। শনিবার বিশ্ব্যাববিদ্যালয়ের একাত্তর মিলনায়তনে সংসদ সদস্শেয শেখ ফজলে নূর তাপস আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের ল্যাপটপ তুলে দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.ইউসুফ এম ইসলাম, উপ- উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম মাহাবুবুল হক মজুমদার। ল্যাপটপ প্রদানের পূর্বে বিশ^বিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান একাডেমিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে ল্যাপটপের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান। ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেডের সহায়তায় ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০ সালের সামার সেমিস্টার থেকে এ পর্যন্ত ২৩৫০০ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস বলেন, আজ থেকে দশ বছর আগে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন বর্তমান সরকার দেখেছিল সেই স্বপ্ন পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়টি তাদের শিক্ষার্থীদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় শিক্ষিত করার মাধ্যমে দেশকে দক্ষ মানবসম্পদ উপহার দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, দেশের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের শিক্ষা কার্যক্রমেও প্রশংসনীয় উন্নয়ন ঘটিয়েছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষার্থীদের হাতে ডিসিএল ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ তুলে দিয়ে ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস বলেন, ল্যাপটপ শুধু গান শোনা বা মুভি দেখার যন্ত্র নয়; বরং এটি এমন একটি যন্ত্র যার মাধ্যমে সারা পৃথিবীর জ্ঞান বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যায়। তিনি শিক্ষার্থীদের এই ল্যাপটপের মাধ্যমে নিজেকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করার আহŸান জানান। ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস বলেন, স্বপ্ন দেখো এবং স্বপ্ন পূরণে আত্মপ্রত্যয়ী হও। বঙ্গবন্ধু থেকে মার্টিন লুথার কিং সবাই মহৎ স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন পূরণে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলেই আমরা একটি সুন্দর পৃথিবীতে বসবাস করতে পারছি। এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর, নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য করার জন্য তোমারদেরকেও মহৎ স্বপ্ন দেখতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, বেকারমুক্ত দেশ গড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একটি অন্যতম চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ তুলে দেওয়া। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বাস করে, এই ল্যাপটপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে কর্মজীবনের জন্য দক্ষরূপে গড়ে তুলতে পারবে।