ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার
© টিডিসি ফটো
প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়নের কারণে সারা পৃথিবীতেই যৌন হয়রানীর ধরন পাল্টেছে। এখন প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ই-মেইল, এসএমএস, ইনবক্স, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদির মাধ্যমে নারীরা যৌন হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। এখানে প্রতিদিন অসংখ্য নারী সাইবার ক্রাইমের শিকার হচ্ছেন।
রোববার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৭১ মিলনায়তনে ‘সামাজিক সচেতনতা ও আইনী অধিকার: প্রেক্ষিত নারী’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফওজিয়া করিম ফাইরোজ ও বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শক সহেলি ফেরদৌস। এছাড়া সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন আর্টিকেল নাইন-এর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দা সালেহ সুলতানা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. গোলাম মওলা চৌধুরী ও মানবিক ও সামজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ এম এম হামিদুর রহমান। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী ডিন ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ফওজিয়া করিম বলেন, তিনটি কারণে সমাজে যৌন হয়রানি বেড়ে যায়। এক. দৃষ্টিভঙ্গি, দুই. সামাজিক প্রেক্ষাপট ও তিন. সাংস্কৃতিক অবক্ষয়। এজন্য সবার আগে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো জরুরি। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে আইন রয়েছে বাংলাদেশে। তবে আইন দিয়ে সব অপরাধ নির্মূল করা যায় না। এজন্য সামাজিক সচেতনতাও জরুরি।
সেমিনারে পুলিশের সহকারি মহাপরিদর্শক সহেলি ফেরদৌস বলেন, যৌন হয়রানি সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকার কারণে সমাজে যৌন হয়রানি বাড়ছে। অনেক পুরুষ যেমন জানেন না তিনি কোন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করছেন, ঠিক তেমনি অনেক নারীও জানেন না যে তিনি যৌন হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।