সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন ইকবাল হোসেন © টিডিসি ফটো
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ব্যাপক মারধরের শিকার হন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। ছাত্রলীগের হামলায় তিন সাংবাদিকসহ প্রায় ১৫জন আহত হয়েছেন।
হামলার পর টিএসসিতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ছাত্রদলের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বেলা ১১টার দিকে আমরা মধুর ক্যান্টিনে যাই। সেখানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন উষ্কানিমূলক শ্লোগান দিতে থাকেন।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা হাকিম চত্বরে যাই। সেখানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত আমাদেরকে জোর করে তাড়িয়ে দেয়। এরপর আমরা টিএসসি এলাকায় গেলে সেখানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা শেষ হওয়ার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের উপর জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় আমাদের ৩০-৪০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান তিনি।
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী আপেল মাহমুদ, জসিম উদ্দিন হল ছাত্রলীগের কর্মী মহসিন আলম তালুকদার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগরে সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের অনুসারী সূর্যসেন হলের যুগ্ম-সম্পাদক সৈয়দ শরিফুল ইসলাম শপু, সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাইসুল ইসলাম, সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি মারিয়াম জামান খান সোহান, জগন্নাথ হল সংসদের জিএস কাজল সরকার, জসীম উদ্দিন হল সংসদের জিএস ইমামুল হাসান হামলার সাথে জড়িত বলে ইকবাল হোসেন দাবি করেন।