ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা এসেছে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে © টিডিসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা এসেছে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ওয়েস্ট মিনিস্টার সরকার ব্যবস্থার এই কাঠামো চর্চার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরপরই ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়টি সামনে আনেন জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। জোটের প্রধান শরিক জামায়াত ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
জোটের সূত্রে জানা গেছে, ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে জোটের দলগুলোর মধ্যে আলাপ চলছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। ছায়া মন্ত্রিসভার গঠনের বিষয়ে আইনগত দিক, কার্যপরিধি ও কার্যক্রম, জোটের অবস্থান সার্বিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি চলছে। সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে জোটের অন্দরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলেই ঘোষণা আসবে ছায়া মন্ত্রিসভার। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সে ঘোষণা আসছে না।
কবে ঘোষণা হবে ছায়া মন্ত্রিসভা জানতে চাইলে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমীন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ছায়া মন্ত্রিসভা একটু সময়ের ব্যাপার। জোটের বৈঠকের আগে বলা যাচ্ছে না। নিজেদের মধ্যে আলোচনার সাপেক্ষে এটা গঠন হবে। এটা এনিসিপির একক ব্যাপার না, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের চিন্তা করছি, তাই তো আমাদের আলোচনার ভিত্তিতে এটা করতে হবে। আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করব এবং এটার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
এরআগে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার চেতনাকে সমুন্নত রাখার অংশ হিসেবে আমরা একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করব, যা জনস্বার্থে গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্তকে কঠোরভাবে পর্যালোচনা করবে, প্রয়োজনে দায়িত্বশীলতার সাথে চ্যালেঞ্জ করবে এবং সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে গঠনমূলকভাবে শক্তিশালী করবে।