ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ © সংগৃহীত
পটুয়াখালী-২ আসনের জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, ভোট দেওয়ার যে গণজোয়ার তুলেছে, এই গণজোয়ারকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য আমিরে জামায়াতের এক্সকে হ্যাক করে যে প্রচারণা তারা করেছে। যে প্রতারণার ফাঁদ তারা পেতেছিলো, সেই প্রতারণার ফাঁদে বিএনপি নিজেরাই আজ আটকে গেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাউফল উপজেলা কাছিপাড়া ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতি অভিযোগ এনে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ‘তিনি (তারেক রহমান) প্রকাশ্যে দেখতে পাচ্ছেন—আমিরে জামায়াতের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে যে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়েছে আমার মা-বোনদের ব্যাপারে, ইতোমধ্যে উদঘাটন করে সেই আসামিকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আপনারা জানেন উনি জানে না? মনে করছেন উনি জানে না? ওনার লোক দিয়াই তো উনি করাইছে। উনি জানেন এবং ভালো করে জানেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এইটাও জানেন এগারো দলের প্রতীকের পক্ষে দেশের মা-বোনেরা ভোট দেওয়ার যে গণজোয়ার তুলেছে, এই গণজোয়ারকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য আমিরে জামায়াতের এক্সকে হ্যাক করে যে প্রচারণা তারা করেছে। যে প্রতারণার ফাঁদ তারা পেতেছিলো, সেই প্রতারণার ফাঁদে বিএনপি নিজেরাই আজ আটকে গিয়েছে।’
ড. শফিকুল বলেন, ‘বরিশালের মতো জায়গায় শিক্ষিত জনপদের এই জায়গায়, আপনার (তারেক রহমান) এই বক্তব্য! আগামী ১২ তারিখ ব্যালট জাতি বিপ্লবের মাধ্যমে জবাব দেবে। আপনারা জবাব দিয়েছেন আঘাতে, কথার আঘাতে। আগামী দিনে বরিশালবাসী আপনাদের কথার আঘাতের জবাব দেবে ব্যালটে। আপনারা দেবেন কথার আঘাত, আমরা দেবো ব্যালটে জবাব।’
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার বক্তব্যে দাবি করেন, ‘যেদিন তারা হ্যাক করেছেন, এই অপপ্রচারের অসভ্য কথা তারা প্রচার করেছে, ওই দিনই তাদের এক কর্মীর হাতে এক নারী ব্যবসায়ী হত্যা হয়েছেন আর এক ছাত্রদল কর্মী আরেক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে শ্লীলতাহানি করে ইজ্জত লুণ্ঠন করে গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় গিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে বলেছে কথা আর আল্লাহ তাদেরকে দিয়ে কাজ করাইয়া প্রমাণ করাইয়া দেখাইছে—তোরাই হইলো এর আসল বাস্তবায়নকারী।’
উল্লেখ্য, একই দিন দুপুরে তারেক রহমান বরিশালে জনসভায় মন্তব্য করেন, ‘বাংলাদেশে এক নতুন জালেমদের আবির্ভাব হয়েছে। যাদেরকে মানুষ গুপ্ত হিসেবে চেনেন। এই জালেমদের নেতা দুই দিন আগে বাংলাদেশের নারীদের বিষয়ে একটি অত্যন্ত কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছে।’