বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করছে: মনিরা শারমীন

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৬ AM
মনিরা শারমীন

মনিরা শারমীন © টিডিসি ফটো

আওয়ামী লীগ পরোক্ষভাবে বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে এবং বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার সিড়ি হিসেবে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমীন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলা মোটরে এনসিপির কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

মনিরা শারমীন বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যেহেতু অংশগ্রহণ করতে পারছে না সেহেতু কিন্তু এটি স্পষ্ট যে আওয়ামী লীগ আসলে এখন কি করছে। আজকে আমরা দেখতে পেলাম আওয়ামী লীগ বিএনপির সমাবেশে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাচ্ছে। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরোক্ষভাবে তারা বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে এবং বিএনপি তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করছে। এই যে আওয়ামী লীগের সাথে যে আঁতাত, গণঅভ্যুত্থানের সাথে একটি প্রতারণা। এর জবাব আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি জনগণ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে ইনশাল্লাহ দিবে।

বিএনসিসিকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় না রাখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির দাবির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন একদিনের মাথায় বিএনসিসিকে মাঠ থেকে সরিয়ে দিলো। একটা সুশৃঙ্খল এবং সাংগঠনিক ফোর্সকে তারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার পরিকল্পনা করলো এবং এই ক্ষেত্রে তারা কিন্তু অন্য কোন রাজনৈতিক দলের মতামত নেননি। আমরা কিন্তু বহুদিন ধরে অনেকগুলো বিষয় সামনে আনার চেষ্টা করছি, আমরা আমরা বলছি যখন যে ইলেকশন কমিশন আমরা যেই অভিযোগগুলো করছি, প্রশাসন এবং ইলেকশন কমিশনের কোন ভূমিকাই আমরা দেখিনি।

নির্বাচন কমিশন একটি দলের পক্ষে কাজ করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি দলের আজ্ঞাবহ সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক। যখন ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক দলটি বাংলাদেশে আবার রাজনৈতিক করার সুযোগ পেল। সেই সময় আমরা যখন দেখি যে, বিএনসিসির মত একটি সুশৃঙ্খল ফোর্সকে এই নির্বাচন থেকে বিরত রাখা হয়, এটি আমরা আসলে একটা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখি। 

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি যে, ছাত্রজনতাকে আসলে অর্থ দিয়ে কিনতে পারে না কোন রাজনৈতিক দল এবং তাদের তাদের সামনে দিয়ে কোন ধরনের কেন্দ্র দখল বা ব্যালট বক্স দখল করা কাজগুলো তারা করতে পারবে না বলেই এই তরুণ ফোর্সটিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে তারা বিরত রাখছে। ইলেকশন কমিশনের একভাবে পক্ষপাত দুষ্ট এই সিদ্ধান্তের আমরা নিন্দা জানাই। এটি নিয়ে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়া উচিত ছিল। এটা প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন কীভাবে একটি দলের পদলেহন করছে।

এনসিপির এই নেত্রী বলেন, প্রশাসন এবং পুলিশও তারাও এককভাবে আসলে ওই দলটির দলীয় কর্মী হিসেবে কাজ করছে। এটা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে প্রশ্ন জাগে, ভোটাররা ১২ ফেব্রুয়ারি যে সুন্দর একটি নির্বাচনের আশা করছে এবং একটা উৎসবমুখ নির্বাচনের আশা আমরা করছি, সেখানে ঠিকমত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কিনা। এই ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তা আসলে ইলেকশন কমিশন এবং প্রশাসন নিশ্চিত করতে পারবে কি না।

অনার্সে ভর্তির দ্বিতীয় মেধাতালিকা প্রকাশের সময় জানাল জাতীয় …
  • ২০ মে ২০২৬
মৃত শিশু গৃহকর্মী নিয়ে মিরপুর থেকে উত্তরার হাসপাতালে আসা দ…
  • ২০ মে ২০২৬
আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে টপকে ৫ নম্বরে বাংলাদেশ
  • ২০ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজে দুই বিদেশি নাবিকের মারামারি, প্রাণ …
  • ২০ মে ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্রে ২০…
  • ২০ মে ২০২৬
কুয়েটে এএএসডিসির উদ্যোগে ‘রিসার্চ পেপার লেখার সহজ কৌশল’ শীর…
  • ২০ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081