চৌগাছার দুই ইউনিয়ন
বিক্ষোভ © প্রতিনিধি
যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার দুই ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নারী নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চৌগাছা পৌর শহরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াতের ইসলামীর মহিলা বিভাগ। এতে কয়েক হাজার মহিলা জমায়েতের নেতাকর্মী বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছেন।
জানা গেছে, চৌগাছা শহরে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসানের দপ্তরে এই ঘটনায় পক্ষে আলাদা অভিযোগ দাখিল করেছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোট কর্মী নাসরিন খাতুন। যশোর ২ আসন এটি। ঝিকরগাছা ও চৌগাছা নিয়ে আসনটি জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন।
জানা গেছে, চৌগাছার ধূলিয়ানী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামের সাধারণ নারীদের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নারী নেতা-কর্মীরা। গত ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ওই নারী ভোট কর্মীদের ওপর প্রতিদ্বন্দ্বি ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীর নেতা-কর্মী সমর্থকেরা অতর্কিত আক্রমণ করে। এবং তাদের কিছু মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
মুক্তারপুর গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের নেতৃত্বে হামলায় অংশ নেন। একই গ্রামের লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেনসহ বেশ কয়েকজন। হামলার সময় নারীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয় ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। এমনকি সাথে থাকা মোবাইল ফোন সেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কেড়ে নেয় হামলাকারীরা। হামলার শিকার নারীরা হলেন, মোছা: রিংগুন খাতুন, সুমাইয়া বেগম, শাহানাজ খাতুন, দিশা খাতুনসহ ৫/৬ জন। হামলাকারীরা নারী ভোট কর্মীদের ভোটের প্রচারে বাধা প্রদান করেন। এবং পরবর্তীতে ভোটের প্রচারে না আসার জন্য হুমকি প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিতে অভিযোগ প্রদান করেছেন হামলার শিকার রিংগুন খাতুন।
এছাড়া ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামে ভোট চাইতে গেলে হামলার শিকার হন। একই গ্রামের নাসরিন খাতুন, রিনা খাতুন, মোছা: নুরজাহান, মোছা: রিনা খাতুন, লিমা খাতুন, নুরজাহান, সুমাইয়া খাতুন, ও আলপনা খাতুন। হামলাকারীরা হলেন, একই গ্রামের শাহাবুদ্দিন, মুকুল ও মন্টু রহমান।