তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান © সংগৃহীত
দীর্ঘ ২১ বছর পর সিলেটে শ্বশুরবাড়িতে পা রাখলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ উপলক্ষে পারিবারিক আবহে আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান নিজ হাতে কেক খাইয়ে দেন তারেক রহমানকে।
বুধবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিরাইমপুরে শ্বশুরবাড়িতে যান তারেক রহমান। শ্বশুরবাড়ি পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে তিনি স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমানসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। ওই বাড়িতেই তারা নৈশভোজ সারেন। পরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে বক্তৃতা করেন।
স্থানীয় মুরুব্বি ও এলাকাবাসীর দোয়া চেয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে রাজনীতি করি। ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে আমরা আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের সহায়তার জন্য কৃষক কার্ড প্রবর্তন করব।”
সিলেটের বহু মানুষ প্রবাসে থাকেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “আমরা প্রতিটি জেলায় উন্নত ট্রেনিং সেন্টারের ব্যবস্থা করব—যাতে আমাদের যুবকরা দক্ষ হয়ে বিদেশে যেতে পারে।
“তারা দক্ষ হিসেবে ভালো বেতনে চাকরি করলে দেশে বেশি রেমিটেন্স আসবে, দেশের অর্থনীতির বিকাশ হবে।”
কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সূচিত ‘খাল খনন’ কর্মসূচি পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, “কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে সারা দেশে আবার খাল খনন শুরু করা হবে, যা আমাদের কৃষি অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।”
দেড় দশকের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক বলেন, “গত ১৬ বছর এ দেশে মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল।
“আমরা সেই অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। মানুষের হাতে ক্ষমতার চাবিকাঠি ফিরিয়ে দিতেই এই নির্বাচন।”