গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেল স্বতন্ত্র প্রার্থী শিমুল

১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৬ PM
আশরাফুল আলম শিমুল

আশরাফুল আলম শিমুল © সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর–কাশিয়ানী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুলের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় এ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। প্রার্থিতা পুনর্বহালের খবরে পুরো নির্বাচনী এলাকায় নতুন করে আলোচনা ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি শেষে আশরাফুল আলম শিমুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছোট ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল আলম।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংক্রান্ত জটিলতার কথা উল্লেখ করে শিমুলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। পরে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। শুনানি শেষে কমিশন আপিল গ্রহণ করে তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার আদেশ দেয়।

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শিমুলকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় এক ভোটার মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, “শিমুল ভাই আমাদের এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন মানুষ। তাকে নিয়ে বর্তমানে যা করা হচ্ছে, তা মূলত হয়রানিমূলক। কিছু দুষ্কৃতকারী চায় না শিমুল ভাইয়ের মতো একজন মানুষ আমাদের পাশে থাকুক। আমরা নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমেই দেখিয়ে দিতে চাই—শিমুল ভাই আমাদের কাছে কতটা আপন।”

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শক্ত অবস্থান থাকা শিমুলের নির্বাচনী প্রত্যাবর্তনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। বিশেষ করে গ্রামীণ ভোটব্যাংক ও তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রভাব নতুন করে আলোচনায় এসেছে, যা ভোটের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

আশরাফুল আলম শিমুল এর আগে ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি যে কয়টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পারিবারিক পরিচিতিও শিমুলের জনপ্রিয়তার একটি বড় ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। তার পিতা খায়রুল বাকী মিয়া ছিলেন এলাকার পরিচিত ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পিতার রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে আশরাফুল আলম শিমুল এলাকায় উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন ধরে রেখেছেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

এ বিষয়ে শিমুলের ছোট ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল আলম বলেন, গোপালগঞ্জ-১ আসনের মানুষ বরাবরই আমাদের পরিবারকে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে এসেছে। এবারও সবার দোয়া ও সহযোগিতার ফলেই আমরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি। আগামীতেও সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অটুট রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

নিজ জেলায় সড়ক অবরোধ করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
এরশাদের জন্ম না হলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হতো না: জাতীয় পার্টির…
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিল—প্রতিহত করতে গিয়ে মার খেলেন বিএ…
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
এআই অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের ইচ্ছা পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৫৫ বছরের জিল্লু …
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence