বিড়িতে সুখ টান দিয়েও জামায়াতের ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে ভালোও করে দিতে পারে: ড. ফয়জুল

০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১২ AM
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক © টিডিসি ফোটো

ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেছেন, 'এমনও হইতে পারে আমার ভাই হয়তো জীবনে কোনদিন ইবাদত করার সুযোগ পায়নাই, তবে ওই সুখ টান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়ি পাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর দাড়ে কবুল হয়ে যায়। এমনও হইতে পারে পিছনের সব আল্লাহ মাফ করে দিয়ে তারে তো ভালোও করে দিতে পারে।'  

বুধবার (৭ জানুয়ারী) রাতে রাজাপুরে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তার এই বক্তব্য  (Dr. Fayzul Huq The Youth Leader of Bangladesh) নামে ফেসবুক পেইজে লাইভে প্রচার করা হয়। এরপরে বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।  

জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেন, আপনারা দৈনিক বিড়ি খাননা ৫/১০টা বিড়ি যে দোকান থেকে খাবেন ওই দোকানে গিয়ে বিড়ি অডার দেবেন আর লগলগে বিড়ি দরিয়ে একটা সুখটান মাইররা বলবেন কি খবরডা কি ক'দেহি। কারবারডা কি দেশের অবস্থা দেখছো দাঁড়ি পাল্লা ছাড়া এদেশে তো আর মানুষ দেখি না। শোনেন আমি তো গল্পের ছলে বলি তাই বলার কারণে আপনাদের আনন্দ লাগতেছে। 

পুরুষদের জন্য পরামর্শ দিয়ে ফয়জুল হক বলেন, আপনারা চা খান দোকানে গিয়ে?  কার টাকার চা খান? কয় টাকার চা খান? এখন থেকে ৫টাকার চা খাবেন ১৫টাকার গপ্পো মারবেন। নিজে ৫ টাকার চা অডার দিয়ে শুরু করবেন এ আবুতালেব খবর কি শোনলাম কি সব জায়গায় ড. ফয়জুলের দাঁড়ি পাল্লার জয়জয়কার অবস্থা কারবারডা কি। ঘটনা না কি ঘটলেডা কি। এদেশে এ আল্লেহ না কোনদিন। এটা বলার পরে আশেপাশে আরো ৫/১০ জন থাকবে না?  এই পেনাই আপনার বড় দরনের খেদমত যেটা আপনার ১০০ টাকা খরচ করে করা লাগবে না। 
 
নারীদের উদ্দেশ্য করে ড. ফয়জুল হক বলেন, জীবনে অনেক গপ্পো মারছেন, প্রত্যেকদিন বিকেলে উঠানে যাইয়া গপ্পো মারা এরপর চুলের বিনি বাধা একজন আরেক জনের মাথা আচরাইয়া দেওয়া। কিন্তু আজকে থেকে একটা মাথাও আর ফ্রি আচরাইবেন না। যাইবেন ভাবির মাথায় চিরুনি রেখেই পেনাপোডা শুরু করবেন দাঁড়ি পাল্লার। এতোদিন তোমার কথা শুনছি মাথার উকুন এনে দিছি আজকে থেকে তোমার কাছে আসলে তুমি আমার কথা শোনবা। তোমারে শোনাবো তোমাকেও বলবো তুমিও আরেকজনকে বলবা। আগামী নির্বাচনে অন্তত একবারের জন্য কায়েদা সাহেব হুজুরের নাতি ড. ফয়জুল হকরে রাজাপুর কাঁঠালিয়ায় দাঁড়ি পাল্লায় ভোট দেবা। এরপর কমপক্ষে মা বোন আত্মীয় স্বজন ২০জন মহিলাকে ফোন দিয়ে ভোট দেওয়ার কথা বলবেন। 

নির্বাচনের দিন সম্পর্কে ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনের রাতে ঘুমাবেন না। ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত ঘুমাবেন। এরপর রাতের বেলা বাসার মধ্যে ভালো খাবার রান্না করে স্বামীকে আদর যত্ন করে তুলে আপনি সহ আপনার আত্মীয় স্বজন সবাইকে নিয়ে সবার আগে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে এরপর ভোট গুনে তারপর বাড়ি এসে বিজয় মিছিল করে ঘুমাবেন।

হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গোপালগঞ্জে ভর্তি ৪৩, মৃত্যু ১
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশের ২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে নকলে শীর্ষে কুমিল্লা ভিক্…
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
আলজেরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ছ…
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
গরমে বরফ দিয়ে শরবত নাকি বরফ ছাড়া শরবত—কোনটা উপকারী
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি?
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
আমরা কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছি, নাকি অমূলক ভয়?
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬