ভারতীয় বয়ানে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ প্রচারকারীরা ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের দালাল : হেফাজত ইসলাম

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:১২ PM , আপডেট: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৩ PM
হেফাজতে ইসলামে লোগো

হেফাজতে ইসলামে লোগো © সংগৃহীত

ভারতীয় বয়ানে ‘মুক্তিযুদ্ধ’র প্রচারকরা ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের দালাল বলে জানিয়েছে অরাজনৈতিক দ্বীনি ও ইসলাহী সংগঠন হেফাজত ইসলাম। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের দফতর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।
 
ইসলামের বিধান দাড়ি-টুপিকে রাজাকারের প্রতীক বানিয়ে ঘৃণা চর্চার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিজয় দিবসকে উপলক্ষ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইসলামের বিধান ও মুসলমানদের প্রতীক দাড়ি-টুপিকে রাজাকারের প্রতীক বানিয়ে ঘৃণার চর্চা আবারও শুরু হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জাতিকে বিভাজনকারী এই ঘৃণাজীবীদের প্রতিহত করুন। পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে মুসলমানি পরিচয় ও নাম-নিশানাকে ঘৃণার লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ইসলাম নির্মূলের রাজনীতি করা হয়েছিল। জুলাই বিপ্লবীরা শান্তি ও সহাবস্থানের পথ বেছে নেওয়ার সুযোগে হিন্দুত্ববাদী ও কালচারাল ফ্যাসিস্ট বাম সেকুলাররা আবারও উৎপাত শুরু করেছে। ফের বিভাজন তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করলে আমরা চুপচাপ বসে থাকব না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, কথিত ‘রাজাকার’ বয়ান ধ্বসে যাওয়ায় ভারতের হুকুমবরদার ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন ঘটেছিল। ভারতীয় বয়ানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রত্যাখ্যান করেছে জুলাইর নতুন বিপ্লবী প্রজন্ম। একাত্তরের মহান জনযুদ্ধকে আধিপত্যবাদী শক্তির হাতে যারা তুলে দিয়েছিল, তারা ক্ষমতার স্বার্থে স্ব-জাতির সঙ্গে বেঈমানি করেছে। ফলে ভারতের ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাহুল গান্ধীসহ দেশটির শীর্ষ রাজনীতিকরা আজ আমাদের বিজয় দিবস ছিনতাই করার স্পর্ধা দেখাতে পারছেন। একাত্তরে আমাদের রক্তাক্ত জনযুদ্ধ ও বিজয় একান্তই আমাদের।

তিনি বলেন, ভারতীয় বয়ানে ‘মুক্তিযুদ্ধ’-এর প্রচারকরা মূলত ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের দালাল। তারা একাত্তরকে ব্লাসফেমিতে পরিণত করেছে। এমনকি কোনো বিতর্কিত তথ্য বা সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলা যাবে না। একাত্তরের জনযুদ্ধ কারো একার পিতার সম্পত্তি নয়। সাতচল্লিশের উত্তরসূরী একাত্তর, যেভাবে একাত্তরের উত্তরসূরী চব্বিশ। সাতচল্লিশ, একাত্তর ও চব্বিশ- আমাদের আজাদীর সিলসিলা। কোনোটিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আমাদের এখন বরং সত্য ইতিহাস চর্চা করতে হবে। যুগ যুগ ধরে চলমান ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী প্রপাগান্ডা মোকাবেলা করতে হবে।

মরহুম বদরুদ্দীন উমরের মতো প্রাজ্ঞ ইতিহাসবিদ বলে গেছেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ইতিহাস প্রায় ৯০ ভাগই মিথ্যা।’ এ বিজয়ের মাসে আমরা একাত্তরের জনযুদ্ধ ও বিজয় নিয়ে নির্মোহ ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বিদগ্ধ ইতিহাসবিদদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

ঝালকাঠিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজছাত্রের মৃত্যু
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাবিতে আওয়ামীপন্থি সাবেক প্রক্টর বিভাগের চেয়ারম্যান হওয়ায় শ…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
সেঞ্চুরি মিস হৃদয়ের, চ্যালেঞ্জিং পুঁজি রংপুরের
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
আনোয়ারায় অর্ধশতাধিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ পাঁচ গুণী শিক্ষকক…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাবি অধিভুক্ত প্রযুক্তি ইউনিটের ভর্তি আবেদন শুরু ১৪ জানুয়ারি
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ফেনীর তিনটি আসনে নির্বাচনী মানচিত্র বদলাবে প্রায় ৬ লাখ তরুণ…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9