ডাকসু নির্বাচন
২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের উদ্যোগ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সুষ্ঠু নির্বাচন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দাবির সঙ্গে অন্যতম জোড়ালো হয়ে উঠেছে যে দাবিটি; তা হলো- ভোটকেন্দ্র তথা বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন। ব্যক্তিগতভাবে অনেক শিক্ষার্থী এবং বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে প্রশাসন? দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেয়া একা সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এসএম মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের হলগুলোতে এমনিতেই সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। তাছাড়া সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো ব্যয়বহুল ব্যাপার। সবকিছু বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবেন।’ তবে কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর বিষয়টিকে যৌক্তিক হিসেবে ব্যাখ্যা করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমানের ভাষ্য, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচনের আয়োজন না করাই ভালো। নগর পুড়ে গেলেও দেবালয়কে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আধাঘণ্টা আগে থেকে ফলাফল ঘোষণার আধা ঘণ্টা পরে পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রের ভেতরকার সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং কোনো প্রার্থী চাহিবামাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দিতে বাধ্য থাকবে।’ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, সিসিটিভি ক্যামেরা এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে, ভোটার সিল মারছেন তা দেখা যাবে না। কিন্তু ব্যালট বাক্সে আগে থেকে ব্যালট পেপার ঢুকিয়ে রাখা হয়নি, তা বোঝা যাবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন তাদের মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেছে। প্রক্টর অফিস তাদের লিখিত বক্তব্যগুলো ডাকসুর প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করবে। সবকিছু সিন্ডিকেটের মাধ্যমের পাস হবে।
প্রসঙ্গত, কাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।