যে ৫ কারণে কোরআন তেলাওয়াত করবে মুমিন

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫২ PM

© ফাইল ফটো

মুসলিম উম্মাহর হেদায়েত ও কল্যাণের জন্য আল্লাহ তা'আলা পবিত্র গ্রন্থ কুরআন নাজিল করেছেন। যার মাধ্যমেই মানুষ খুঁজে পায় আলোর দিশা। সঠিক পথের সন্ধান। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর নিশ্চয়ই এটা মুমিনদের জন্যে হেদায়েত ও রহমত।’ (সুরা নমল: আয়াত ৭৭)

কুরআনুল কারিমের তেলাওয়াত, অধ্যয়ন ও শিক্ষা গ্রহণ থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে মানুষ পথহারা হয়ে যাচ্ছে। অথচ মুমিন মুসলমান যদি নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন করে তবে তা থেকে পায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকার। তাই নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন করা খুবই জরুরি। কুরআনুল কারিম অধ্যয়নে যেসব উপকার পায় মুমিন, সেগুলো নিচে তুলে ধরা হল-

হেদায়েত বা আলোর সন্ধান

কুরআনুল কারিমের রয়েছে মুমিন মুসলমানের জন্য হেদায়েত ও পথ নির্দেশ। ব্যক্তি, পারিবার, সামাজ কিংবা রাষ্ট্রীয় জীবন কীভাবে পরিচালিত হতে হবে তার প্রতিটি বিষয় রয়েছে এ কোরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘আমি তোমার জন্য কিতাবটি নাজিল করেছি। এটি এমন যে তা সবকিছুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, আর এটা হেদায়াত, রহমত ও মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ স্বরূপ।’ (সুরা নাহল: আয়াত ৮৯)

ঈমান বৃদ্ধি

কুরআনুল কারিম তেলাওয়াত ও অধ্যয়নে মুমিন বান্দার ঈমান বেড়ে যায়। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন- ‘যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কুরআনের আয়াতসমূহ, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা নিজ প্রভুর প্রতি ভরসা পোষণ করে।’ (সুরা আনফাল: আয়াত ২)

অন্তরে প্রশান্তি লাভ

কোরআনের অধ্যয়ন অশান্ত ও হতাশাগ্রস্ত আত্মা প্রশান্তি লাভ করে। আর তাও ওঠে এসেছে কোরআনে- ‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।’ (সুরা রাদ: আয়াত ২৮)

কোরআনের সুপারিশ লাভ

কুরআনুল কারিম কেয়ামতের দিন তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে। হাদিসে পাকে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন- হজরত আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা কোরআন তেলাওয়াত কর, কারণ কোরআন কেয়ামতের দিন তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।’ (মুসলিম)

জান্নাত লাভ

প্রত্যেক মুমিনের সর্বোচ্চ কামনা হলো জান্নাত। কোরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম হবে। হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রোজা ও কোরআন কেয়ামাতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, রোজা বলবে- হে আমার রব! আমি দিনের বেলায় তাকে (এ রোজাদারকে) পানাহার ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর।

অনুরূপভাবে কোরআন বলবে, হে আমার রব! আমাকে অধ্যয়ন করার কারণে রাতের ঘুম থেকে আমি তাকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে।’ (মুসনাদে আহমাদ)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা। কোরআন অধ্যয়ন করে নিজেদের জীবনে তার বাস্তবায়ন করা। আর তাতেই উল্লেখিত প্রতিদানগুলো পাবেন মুমিন।

সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে আত্মিক যাত্রা শুরু করলেন নাসীরুদ্দীন প…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
শেষ হচ্ছে রোজা, সৌদি আরবে ঈদ কবে?
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল ময়মনসিংহের যুবক মাম…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
যুদ্ধে যে কারণে ইরানের পাশে নেই ‘মুসলিম বিশ্ব’
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
বেফাকের ফল প্রকাশ, ফযিলতে শীর্ষ ১০ মাদরাসা
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ইউজিসির ১৫তম চেয়ারম্যান হিসেবে শিক্ষাবিদ ড. মামুন আহমেদের য…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence